ঢাকা, ৬ অক্টোবর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): দু’বছর লভ্যাংশ না দেয়া লোকসানি জেড
ক্যাটাগরির আর কোন কোম্পানিকে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে না
পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কর্মকর্তারা। বুধবার
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করে
ডিএসই কর্মকর্তারা এ অনুরোধ জানান।
সুত্র জানায়, এসইসির চেয়ারম্যানের সাথে সাক্ষাতে ডিএসই নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, পুঁজিবাজারে বর্তমানে শেয়ারের প্রচণ্ড সঙ্কট চলছে। এ অবস্থায় যদি মূল বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করে ওটিসি মার্কেটে পাঠানো হয় তাহলে শেয়ারের সঙ্কট আরো তীব্র আকার ধারণ করবে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের জন্য আরো বেশি ঝুঁকি তৈরি হবে। তাই এ সময়ে নতুন করে আর কোন কোম্পানিকে ওটিসি মার্কেটে না পাঠানোর অনুরোধ জানান ডিএসই নেতৃবৃন্দ। তবে এ বিষয়ে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, আমরা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানি বন্ধ রয়েছে শুধুমাত্র তাদেরকে ওটিসি মার্কেটে প্রেরণের কথা বলেছি। তবে যেসব কোম্পানি নিয়মিত এজিএম (বার্ষিক সাধারণ সভা) করতে পারেনি তাদের তালিকাচ্যুত না করার কথা বলেছি। এছাড়া বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে এসইসি ও ডিএসই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একইসাথে বর্তমানের এই সঙ্কটের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমাতে আরো বেশি করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহে জেড ক্যাটাগরির মোট ২৯টি কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ অক্টোবর ২৫টি কোম্পানিকে ওটিসি মার্কেটে লেনদেনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ৫ অক্টোবর এসইসি আরো ৪টি কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ২০ অক্টোবর থেকে এ ৪টি কোম্পানির লেনদেন ওটিসি মার্কেটে শুরু হবে। এর ফলে ওটিসি মার্কেটে লেনদেনকারী কোম্পানির সংখ্যা দাঁড়াবে ৭৯টিতে।
সুত্র জানায়, এসইসির চেয়ারম্যানের সাথে সাক্ষাতে ডিএসই নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, পুঁজিবাজারে বর্তমানে শেয়ারের প্রচণ্ড সঙ্কট চলছে। এ অবস্থায় যদি মূল বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করে ওটিসি মার্কেটে পাঠানো হয় তাহলে শেয়ারের সঙ্কট আরো তীব্র আকার ধারণ করবে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের জন্য আরো বেশি ঝুঁকি তৈরি হবে। তাই এ সময়ে নতুন করে আর কোন কোম্পানিকে ওটিসি মার্কেটে না পাঠানোর অনুরোধ জানান ডিএসই নেতৃবৃন্দ। তবে এ বিষয়ে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, আমরা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানি বন্ধ রয়েছে শুধুমাত্র তাদেরকে ওটিসি মার্কেটে প্রেরণের কথা বলেছি। তবে যেসব কোম্পানি নিয়মিত এজিএম (বার্ষিক সাধারণ সভা) করতে পারেনি তাদের তালিকাচ্যুত না করার কথা বলেছি। এছাড়া বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে এসইসি ও ডিএসই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একইসাথে বর্তমানের এই সঙ্কটের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমাতে আরো বেশি করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহে জেড ক্যাটাগরির মোট ২৯টি কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ অক্টোবর ২৫টি কোম্পানিকে ওটিসি মার্কেটে লেনদেনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ৫ অক্টোবর এসইসি আরো ৪টি কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ২০ অক্টোবর থেকে এ ৪টি কোম্পানির লেনদেন ওটিসি মার্কেটে শুরু হবে। এর ফলে ওটিসি মার্কেটে লেনদেনকারী কোম্পানির সংখ্যা দাঁড়াবে ৭৯টিতে।

0 comments:
Post a Comment