নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ারবাজারে আসছে বস্ত্র খাতের আরেকটি কম্পানি জেনারেশন নেঙ্ট ফ্যাশন লিমিটেড। কম্পানিটি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে শেয়ার ছাড়বে। তারই অংশ হিসাবে গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে রোড-শো অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অংশ নেন। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরা হয় কম্পানির অতীত ও বর্তমান অবস্থা। সেসঙ্গে তুলে ধরা হয় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও।
কম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের তিন কোটি শেয়ার বাজারে ছাড়বে। এর মাধ্যমে তারা বাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকারও বেশি সংগ্রহ করবে। এই লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ঠিক করা হয়েছে ৫০ টাকা। ৫০ টাকা নির্দেশক দামের ভিত্তিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে তিন কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।
বুক বিল্ডিং পদ্ধতির নিয়ম অনুযায়ী, চূড়ান্ত প্রাতিষ্ঠানিক দরপ্রস্তাবে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দেশক দামের ২০ শতাংশ কম-বেশি হারে সর্বোচ্চ ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৪০ টাকায় তাদের ক্রয় আদেশ জমা দিতে পারবে। ৬০ টাকার সর্বোচ্চ দরপ্রস্তাবের ভিত্তিতে কম্পানিটি বাজার থেকে সর্বোচ্চ ১৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে পারবে।
বস্ত্র খাতের এ কম্পানিটি চলতি বছরের মধ্যে ২০০ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ২০১৫ সালের মধ্যে তা ১০০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এজন্য কম্পানিটি তাদের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে নতুন করে আরো ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে বলে জানানো হয়।
বুক বিল্ডিং পদ্ধতির নিয়ম অনুযায়ী, তিন কোটি শেয়ারের মধ্যে ৬০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারী, ২০ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ১০ শতাংশ করে শেয়ার মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বরাদ্দ থাকবে।
গতকালের রোড শোতে জানানো হয়, তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের চূড়ান্ত দরপ্রস্তাবের ভিত্তিতে নির্দেশক দাম পুনর্নির্ধারণ করা হবে। এরপরই শুরু হবে শেয়ার বিক্রির আনুষ্ঠানিক দরপ্রস্তাব। কম্পানিটির শেয়ারের ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছে ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্ট
কম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের তিন কোটি শেয়ার বাজারে ছাড়বে। এর মাধ্যমে তারা বাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকারও বেশি সংগ্রহ করবে। এই লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ঠিক করা হয়েছে ৫০ টাকা। ৫০ টাকা নির্দেশক দামের ভিত্তিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে তিন কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।
বুক বিল্ডিং পদ্ধতির নিয়ম অনুযায়ী, চূড়ান্ত প্রাতিষ্ঠানিক দরপ্রস্তাবে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দেশক দামের ২০ শতাংশ কম-বেশি হারে সর্বোচ্চ ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৪০ টাকায় তাদের ক্রয় আদেশ জমা দিতে পারবে। ৬০ টাকার সর্বোচ্চ দরপ্রস্তাবের ভিত্তিতে কম্পানিটি বাজার থেকে সর্বোচ্চ ১৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে পারবে।
বস্ত্র খাতের এ কম্পানিটি চলতি বছরের মধ্যে ২০০ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ২০১৫ সালের মধ্যে তা ১০০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এজন্য কম্পানিটি তাদের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে নতুন করে আরো ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে বলে জানানো হয়।
বুক বিল্ডিং পদ্ধতির নিয়ম অনুযায়ী, তিন কোটি শেয়ারের মধ্যে ৬০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারী, ২০ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ১০ শতাংশ করে শেয়ার মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বরাদ্দ থাকবে।
গতকালের রোড শোতে জানানো হয়, তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের চূড়ান্ত দরপ্রস্তাবের ভিত্তিতে নির্দেশক দাম পুনর্নির্ধারণ করা হবে। এরপরই শুরু হবে শেয়ার বিক্রির আনুষ্ঠানিক দরপ্রস্তাব। কম্পানিটির শেয়ারের ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছে ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্ট

0 comments:
Post a Comment