অর্থনৈতিক রিপোর্টার
শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আপাতত বিভাগীয় শহরের বাইরে
ব্রোকারেজ হাউসের কোনো শাখা খোলার অনুমোদন না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে
নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। কমিশনের এ
সিদ্ধান্তের ফলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিটি জেলায় ব্রোকারেজ হাউস চালু
করার ঘোষণা কার্যকরের বিষয়টি অনিশ্চতায় পড়ল। এদিকে কমিশনের বৈঠকে দু’বছরের
বেশি সময় ধরে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে থাকা কোম্পানিগুলোকে ওটিসি মার্কেটে
পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
কমিশনের মতে, দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্রোকারেজ হাউসের নতুন নতুন শাখা চালু হওয়ায় বিপুল বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজারে যুক্ত হচ্ছেন। পুঁজিবাজার সম্পর্কে পূর্বধারণা না থাকায় এসব বিনিয়োগকারী কোম্পানির মৌলভিত্তি বা বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা না করেই শেয়ার কেনাবেচায় অংশ নিচ্ছেন। অনেক শেয়ারের অতি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এ ধরনের বিনিয়োগকারীদের ভূমিকা বেশি। বাজারের স্বার্থেই এ ধরনের প্রবণতা রোধে বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভাগীয় শহরের বাইরে নতুন কোনো ব্রোকারেজ হাউসের শাখা খোলার অনুমতি না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভুঁইয়া বলেন, পুঁজিবাজারে তারল্য (টাকার) প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে বলে এসইসি মনে করছে। বিশেষ করে নতুন বিনিয়োগকারীরা অনেক ক্ষেত্রেই বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে ভালোভাবে অবহিত না হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারে বিনিয়োগ করেন। এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকির মাত্রা কমানোর জন্যই কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এদিকে গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের প্রতিটি জেলা শহরে ব্রেকারেজ হাউস চালু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন ডএসইর তত্কালীন সভাপতি রকিবুর রহমান। যদিও ডিএসইর এ ঘোষণার ৯ মাস পরেও দেশের অর্ধেক জেলায়ও ব্রোকারেজ হাউস চালু করা সম্ভব হয়নি। মূলত জেলা শহরে ব্রোকারেজ হাউস খোলার বিষয়ে এসইসির ‘ধীরে চলো নীতি’র কারণে তা সম্ভব হয়নি। আর গতকাল এসইসির এ সিদ্ধান্তের ফলে নতুন করে জেলা শহরে ব্রোকারেজ হাউস খোলার প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে গেল।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিভাগীয় শহরসহ দেশের ২৯টি জেলায় বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসের শাখা রয়েছে। যেসব জেলা শহরে ব্রোকারেজ হাউস রয়েছে সেগুলো হচ্ছে—বগুড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফরিদপুর, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ফেনী, চাঁদপুর, গাজীপুর, হবিগঞ্জ, জামালপুর, যশোর, কিশোরগঞ্জ, কুষ্টিয়া, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, নওগাঁ, নারায়ণগঞ্জ, নোয়াখালী, নরসিংদী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলা। বিভাগীয় এবং জেলা শহরে ব্রোকারেজ হাউসের ৫৯০টি শাখা রয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জেলা শহরে শেয়ারবাজার সম্প্রসারিত হওয়ায় বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। এসব বিনিয়োগকারীর অধিকাংশেরই শেয়ারবাজার সম্পর্কে সঠিক ধারণা না নেই। মুনাফার লোভে না বুঝেই তারা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করছেন। এদের কারণে বাজারে ঝুঁকিও বাড়ছে। তবে এসব বিনিয়োগকারীদের সচেতন করতে এসইসি, স্টক এক্সচেঞ্জ ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোর পক্ষ থেকে কার্যক্রম গ্রহণ করা উচিত বলে তারা মনে করেন। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে টানা দু’বছর বা তার বেশি সময় ধরে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে থাকা কোম্পানিগুলোকে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি। দীর্ঘদিন ধরে উত্পাদন বন্ধ ও লোকসানে থাকার কারণে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ এ ধরনের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় শেয়ারবাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে বলে কমিশন মনে করে। এ কারণেই এসব কোম্পানিকে মূল বাজার থেকে তালিকাচ্যুত করে ওটিসিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।
কমিশনের মতে, দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্রোকারেজ হাউসের নতুন নতুন শাখা চালু হওয়ায় বিপুল বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজারে যুক্ত হচ্ছেন। পুঁজিবাজার সম্পর্কে পূর্বধারণা না থাকায় এসব বিনিয়োগকারী কোম্পানির মৌলভিত্তি বা বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা না করেই শেয়ার কেনাবেচায় অংশ নিচ্ছেন। অনেক শেয়ারের অতি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এ ধরনের বিনিয়োগকারীদের ভূমিকা বেশি। বাজারের স্বার্থেই এ ধরনের প্রবণতা রোধে বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভাগীয় শহরের বাইরে নতুন কোনো ব্রোকারেজ হাউসের শাখা খোলার অনুমতি না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভুঁইয়া বলেন, পুঁজিবাজারে তারল্য (টাকার) প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে বলে এসইসি মনে করছে। বিশেষ করে নতুন বিনিয়োগকারীরা অনেক ক্ষেত্রেই বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে ভালোভাবে অবহিত না হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারে বিনিয়োগ করেন। এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকির মাত্রা কমানোর জন্যই কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এদিকে গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের প্রতিটি জেলা শহরে ব্রেকারেজ হাউস চালু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন ডএসইর তত্কালীন সভাপতি রকিবুর রহমান। যদিও ডিএসইর এ ঘোষণার ৯ মাস পরেও দেশের অর্ধেক জেলায়ও ব্রোকারেজ হাউস চালু করা সম্ভব হয়নি। মূলত জেলা শহরে ব্রোকারেজ হাউস খোলার বিষয়ে এসইসির ‘ধীরে চলো নীতি’র কারণে তা সম্ভব হয়নি। আর গতকাল এসইসির এ সিদ্ধান্তের ফলে নতুন করে জেলা শহরে ব্রোকারেজ হাউস খোলার প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে গেল।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিভাগীয় শহরসহ দেশের ২৯টি জেলায় বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসের শাখা রয়েছে। যেসব জেলা শহরে ব্রোকারেজ হাউস রয়েছে সেগুলো হচ্ছে—বগুড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফরিদপুর, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ফেনী, চাঁদপুর, গাজীপুর, হবিগঞ্জ, জামালপুর, যশোর, কিশোরগঞ্জ, কুষ্টিয়া, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, নওগাঁ, নারায়ণগঞ্জ, নোয়াখালী, নরসিংদী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলা। বিভাগীয় এবং জেলা শহরে ব্রোকারেজ হাউসের ৫৯০টি শাখা রয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জেলা শহরে শেয়ারবাজার সম্প্রসারিত হওয়ায় বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। এসব বিনিয়োগকারীর অধিকাংশেরই শেয়ারবাজার সম্পর্কে সঠিক ধারণা না নেই। মুনাফার লোভে না বুঝেই তারা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করছেন। এদের কারণে বাজারে ঝুঁকিও বাড়ছে। তবে এসব বিনিয়োগকারীদের সচেতন করতে এসইসি, স্টক এক্সচেঞ্জ ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোর পক্ষ থেকে কার্যক্রম গ্রহণ করা উচিত বলে তারা মনে করেন। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে টানা দু’বছর বা তার বেশি সময় ধরে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে থাকা কোম্পানিগুলোকে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি। দীর্ঘদিন ধরে উত্পাদন বন্ধ ও লোকসানে থাকার কারণে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ এ ধরনের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় শেয়ারবাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে বলে কমিশন মনে করে। এ কারণেই এসব কোম্পানিকে মূল বাজার থেকে তালিকাচ্যুত করে ওটিসিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

0 comments:
Post a Comment