ঢাকা, ১১ অক্টোবর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): অধিকসংখ্যক বিনিয়োগকারীর উপস্থিতি এবং
শেয়ার সঙ্কটের কারণে পুঁজিবাজারের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। একদিন দরপতনের
পরই আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার। বিফলে গেছে বাজার নেতাদের
হুমকি-ধামকি, অনুরোধ এবং আহবান। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন কমলেও বেড়েছে
অধিকাংশ শেয়ারের দর।
বাজার নেতাদের অতি মূল্যায়িত শেয়ারে বিনিয়োগ না করার পরামর্শ উপেক্ষা করে বিনিয়োগকারীরা লেনদেন অব্যাহত রেখেছেন। গত কয়েক মাসের টানা ঊর্ধ্বগতির কারণে অধিকাংশ শেয়ার ক্রয়সীমার বাইরে বিপজ্জনক অবস্থানে থাকলেও শেয়ার সঙ্কটের কারণে শেয়ারের অতি মূল্যায়ন অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক পিই রেশিও বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
উন্নত বিশ্বের পুঁজিবাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এস এন্ড পি ৫০০ ইনডেক্স ফেয়ারের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের পিই রেশিও ১৫ থাকলে তাকে ফেয়ার ভ্যালু এবং পিই রেশিও ২০ হলে তাকে ওভার ভ্যালু বা অতি মূল্যায়িত বলা হয়। এ হিসাবে বর্তমানে আমাদের পুঁজিবাজারের প্রায় ৮০ শতাংশ শেয়ারই অতি মূল্যায়িত।
এদিকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও বাজার নিয়ন্ত্রণে তা কাজে আসছে না। সর্বশেষ মার্জিন ঋণ ও ঋণ অযোগ্য কোম্পানির নেটিং সুবিধা বন্ধসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয় এসইসি। তবে বিনিয়োগকারীদের চাহিদার তুলনায় শেয়ারের সঙ্কট থাকায় এসইসির গৃহীত পদক্ষেপ পুঁজিবাজারে প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। অপরদিকে পুঁজিবাজারে শেয়ার সঙ্কটের কারণে অধিকাংশ শেয়ারের অতি মূল্যায়নে সামগ্রিক পিই রেশিও বেড়ে যাওয়ায় বাজার ধসের আশঙ্কা করেছেন ঢাকা ও চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট। একই সাথে তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অতি মূল্যায়িত শেয়ারে বিনিয়োগের ফলে কোনো বিনিয়োগকারী ক্ষতির শিকার হলে এর দায় স্টক এক্সচেঞ্জ নেবে না। বাজার নেতাদের হুঁশিয়ারিতে রোববার দুই স্টক এক্সচেঞ্জে অধিকাংশ শেয়ারের দরপতন হলেও সোমবার আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে পুঁজিবাজার। পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, একমাত্র শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানোর মাধ্যমই পুঁজিবাজারের অতি মূল্যায়ন রোধ করা সম্ভব। বর্তমান অবস্থায় শেয়ারের সরবরাহ না বাড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের বিধি-নিষেধ আরোপ ও শঙ্কার কথা বলে জোর করে বাজার সংশোধনের চেষ্টা ব্যর্থ হবে বলে পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।
সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়লেও কমেছে লেনদেন। ডিএসইতে আজ লেনদেনের পরিমাণ ১৫৬৪ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা কম। আজ ডিএসইতে ২৪৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৯টির, কমেছে ৪৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টির। অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়ায় ডিএসইর সব ধরনের সূচক বেড়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।
বাজার নেতাদের অতি মূল্যায়িত শেয়ারে বিনিয়োগ না করার পরামর্শ উপেক্ষা করে বিনিয়োগকারীরা লেনদেন অব্যাহত রেখেছেন। গত কয়েক মাসের টানা ঊর্ধ্বগতির কারণে অধিকাংশ শেয়ার ক্রয়সীমার বাইরে বিপজ্জনক অবস্থানে থাকলেও শেয়ার সঙ্কটের কারণে শেয়ারের অতি মূল্যায়ন অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক পিই রেশিও বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
উন্নত বিশ্বের পুঁজিবাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এস এন্ড পি ৫০০ ইনডেক্স ফেয়ারের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের পিই রেশিও ১৫ থাকলে তাকে ফেয়ার ভ্যালু এবং পিই রেশিও ২০ হলে তাকে ওভার ভ্যালু বা অতি মূল্যায়িত বলা হয়। এ হিসাবে বর্তমানে আমাদের পুঁজিবাজারের প্রায় ৮০ শতাংশ শেয়ারই অতি মূল্যায়িত।
এদিকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও বাজার নিয়ন্ত্রণে তা কাজে আসছে না। সর্বশেষ মার্জিন ঋণ ও ঋণ অযোগ্য কোম্পানির নেটিং সুবিধা বন্ধসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয় এসইসি। তবে বিনিয়োগকারীদের চাহিদার তুলনায় শেয়ারের সঙ্কট থাকায় এসইসির গৃহীত পদক্ষেপ পুঁজিবাজারে প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। অপরদিকে পুঁজিবাজারে শেয়ার সঙ্কটের কারণে অধিকাংশ শেয়ারের অতি মূল্যায়নে সামগ্রিক পিই রেশিও বেড়ে যাওয়ায় বাজার ধসের আশঙ্কা করেছেন ঢাকা ও চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট। একই সাথে তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অতি মূল্যায়িত শেয়ারে বিনিয়োগের ফলে কোনো বিনিয়োগকারী ক্ষতির শিকার হলে এর দায় স্টক এক্সচেঞ্জ নেবে না। বাজার নেতাদের হুঁশিয়ারিতে রোববার দুই স্টক এক্সচেঞ্জে অধিকাংশ শেয়ারের দরপতন হলেও সোমবার আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে পুঁজিবাজার। পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, একমাত্র শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানোর মাধ্যমই পুঁজিবাজারের অতি মূল্যায়ন রোধ করা সম্ভব। বর্তমান অবস্থায় শেয়ারের সরবরাহ না বাড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের বিধি-নিষেধ আরোপ ও শঙ্কার কথা বলে জোর করে বাজার সংশোধনের চেষ্টা ব্যর্থ হবে বলে পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।
সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়লেও কমেছে লেনদেন। ডিএসইতে আজ লেনদেনের পরিমাণ ১৫৬৪ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা কম। আজ ডিএসইতে ২৪৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৯টির, কমেছে ৪৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টির। অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়ায় ডিএসইর সব ধরনের সূচক বেড়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।

0 comments:
Post a Comment