পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রথম বিএসআরএস মিউচুয়াল ফান্ডের মেয়াদ ২০১৭ সাল
পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য আবারও আবেদন করা হয়েছে।
ফান্ডটির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) সম্প্রতি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ (এসইসি) কমিশনের কাছে লিখিতভাবে এ আবেদন করে।
এর আগে গত ২৬ মে প্রথম বিএসআরএস মিউচুয়াল ফান্ডের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন এসইসি নাকচ করে দেয়।
প্রথম বিএসআরএস ফান্ড ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এরও ১১ বছর পর ফান্ডটি এসইসির মিউচুয়াল ফান্ড-সংক্রান্ত বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড সত্ত্বেও ফান্ডটির সুনির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ উল্লেখ ছিল না। ফলে গঠনের পর দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে ফান্ডটি বিনিয়োগকারীদের সন্তোষজনক লভ্যাংশ দিয়ে আসছে।
কিন্তু গত বছর এসইসি সিদ্ধান্ত নেয়, যেসব মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের মেয়াদ উল্লেখ নেই, সেগুলোকে ২০১১ সালের পর অবলুপ্ত করতে হবে। সেই অনুযায়ী ফান্ডটির মেয়াদ রয়েছে মাত্র এক বছর তিন মাসের মতো।
কিন্তু বিনিয়োগকারীদের কাছে ফান্ডটির গ্রহণযোগ্যতা ও সুনামের বিবেচনায় বিডিবিএলের পরিচালনা পর্ষদ এর মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান এসইসিতে আবেদন করেছেন।
ফান্ডটির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) সম্প্রতি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ (এসইসি) কমিশনের কাছে লিখিতভাবে এ আবেদন করে।
এর আগে গত ২৬ মে প্রথম বিএসআরএস মিউচুয়াল ফান্ডের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন এসইসি নাকচ করে দেয়।
প্রথম বিএসআরএস ফান্ড ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এরও ১১ বছর পর ফান্ডটি এসইসির মিউচুয়াল ফান্ড-সংক্রান্ত বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড সত্ত্বেও ফান্ডটির সুনির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ উল্লেখ ছিল না। ফলে গঠনের পর দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে ফান্ডটি বিনিয়োগকারীদের সন্তোষজনক লভ্যাংশ দিয়ে আসছে।
কিন্তু গত বছর এসইসি সিদ্ধান্ত নেয়, যেসব মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের মেয়াদ উল্লেখ নেই, সেগুলোকে ২০১১ সালের পর অবলুপ্ত করতে হবে। সেই অনুযায়ী ফান্ডটির মেয়াদ রয়েছে মাত্র এক বছর তিন মাসের মতো।
কিন্তু বিনিয়োগকারীদের কাছে ফান্ডটির গ্রহণযোগ্যতা ও সুনামের বিবেচনায় বিডিবিএলের পরিচালনা পর্ষদ এর মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান এসইসিতে আবেদন করেছেন।

0 comments:
Post a Comment