Custom Search

Monday, October 11, 2010

৬ কোম্পানিকে এসইসির সতর্ক নোটিশ

এসএম গোলাম সামদানী, স্টাফ করেসপন্ডেন্টবাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডি
ঢাকা: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেয়ারহোল্ডিং ও উৎপাদন সংক্রান্ত কোনও তথ্য জমা না দেওয়ায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৬টি কোম্পানিকে সতর্ক নোটিশ পাঠিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

সোমবার এ চিঠি পাঠানো হয় বলে এসইসি সূত্র নিশ্চিত করে।

একই অভিযোগে আরও কয়েকটি কোম্পনিকে শিগগিরই সতর্ক নোটিশ পাঠানো হবে বলেও জানায় সূত্রটি।

নোটিশ পাঠানো হয়েছে আশরাফ টেক্সটাইল, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, বিডি প্লান্টেশন, সজীব নিটওয়্যার, কাশেম সিল্ক ও কাশেম টেক্সটাইল।
 
উল্লেখ্য, তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে আগের মাসের সব তথ্য এসইসিকে জানানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এ তথ্যগুলোর মধ্যে থাকবে কোম্পানির পরিচালক বা স্পন্সরদের শেয়ার বিক্রি, কোম্পানির উৎপাদন, লাভ লোকসানের হিসাব।

এমনকি কোনও মাসে তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালকরা শেয়ার কেনাবেচা না করলেও কিংবা অন্য কোনও তথ্য না থাকলেও তা এসইসিকে জানাতে হবে।

নোটিশ পাওয়া কোম্পানিগুলো গত ১০ আগস্টের মধ্যে জুলাই মাসের কোনও তথ্য এসইসিতে দাখিল করেনি।

এক দিন দরপতনের পরই ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার

ঢাকা, ১১ অক্টোবর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): অধিকসংখ্যক বিনিয়োগকারীর উপস্থিতি এবং শেয়ার সঙ্কটের কারণে পুঁজিবাজারের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। একদিন দরপতনের পরই আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার। বিফলে গেছে বাজার নেতাদের হুমকি-ধামকি, অনুরোধ এবং আহবান। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন কমলেও বেড়েছে অধিকাংশ শেয়ারের দর।
বাজার নেতাদের অতি মূল্যায়িত শেয়ারে বিনিয়োগ না করার পরামর্শ উপেক্ষা করে বিনিয়োগকারীরা লেনদেন অব্যাহত রেখেছেন। গত কয়েক মাসের টানা ঊর্ধ্বগতির কারণে অধিকাংশ শেয়ার ক্রয়সীমার বাইরে বিপজ্জনক অবস্থানে থাকলেও শেয়ার সঙ্কটের কারণে শেয়ারের অতি মূল্যায়ন অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক পিই রেশিও বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
উন্নত বিশ্বের পুঁজিবাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এস এন্ড পি ৫০০ ইনডেক্স ফেয়ারের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের পিই রেশিও ১৫ থাকলে তাকে ফেয়ার ভ্যালু এবং পিই রেশিও ২০ হলে তাকে ওভার ভ্যালু বা অতি মূল্যায়িত বলা হয়। এ হিসাবে বর্তমানে আমাদের পুঁজিবাজারের প্রায় ৮০ শতাংশ শেয়ারই অতি মূল্যায়িত।
এদিকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও বাজার নিয়ন্ত্রণে তা কাজে আসছে না। সর্বশেষ মার্জিন ঋণ ও ঋণ অযোগ্য কোম্পানির নেটিং সুবিধা বন্ধসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয় এসইসি। তবে বিনিয়োগকারীদের চাহিদার তুলনায় শেয়ারের সঙ্কট থাকায় এসইসির গৃহীত পদক্ষেপ পুঁজিবাজারে প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। অপরদিকে পুঁজিবাজারে শেয়ার সঙ্কটের কারণে অধিকাংশ শেয়ারের অতি মূল্যায়নে সামগ্রিক পিই রেশিও বেড়ে যাওয়ায় বাজার ধসের আশঙ্কা করেছেন ঢাকা ও চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট। একই সাথে তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অতি মূল্যায়িত শেয়ারে বিনিয়োগের ফলে কোনো বিনিয়োগকারী ক্ষতির শিকার হলে এর দায় স্টক এক্সচেঞ্জ নেবে না। বাজার নেতাদের হুঁশিয়ারিতে রোববার দুই স্টক এক্সচেঞ্জে অধিকাংশ শেয়ারের দরপতন হলেও সোমবার আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে পুঁজিবাজার। পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, একমাত্র শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানোর মাধ্যমই পুঁজিবাজারের অতি মূল্যায়ন রোধ করা সম্ভব। বর্তমান অবস্থায় শেয়ারের সরবরাহ না বাড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের বিধি-নিষেধ আরোপ ও শঙ্কার কথা বলে জোর করে বাজার সংশোধনের চেষ্টা ব্যর্থ হবে বলে পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।
সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়লেও কমেছে লেনদেন। ডিএসইতে আজ লেনদেনের পরিমাণ ১৫৬৪ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা কম। আজ ডিএসইতে ২৪৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৯টির, কমেছে ৪৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টির। অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়ায় ডিএসইর সব ধরনের সূচক বেড়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।

বিনিয়োগে হুঁশিয়ার

ঢাকা, অক্টোবর ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- পুঁজিবাজারে 'অস্বাভাবিক' ঊর্ধ্বগতি দেখে বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন স্টক এক্সচেঞ্জ কর্মকর্তারা। বিনিয়োগকারীদের সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।


গত দুই সপ্তাহে ডিএসই ইনডেক্স ৫০০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৪৮০। এই সময় একদিনের সর্বোচ্চ লেনদেন আগের রেকর্ড ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।


ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, "শেয়ারের দাম গত ১৫ দিন ধরে ক্রমাগত বাড়ছে। কিন্তু তা কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।"


"ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকলে বিপর্যয় আসবে", বলেন তিনি।


বিনিয়োগকারীদের প্রতি শাকিল রিজভীর পরামর্শ, "এই অতিমূল্যায়িত বাজারে নিজ দায়িত্বে এবং সতর্কতার সঙ্গে বিনিয়োগ করুন। কোনো বিপর্যয় ঘটলে ডিএসই বা সিএসই দায়ী থাকবে না।"


সংবাদ সম্মেলনে সিএসই সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ বিনিয়োগকারীদের এই 'অতি মূল্যায়িত বাজারে' বিনিয়োগের বিষয়ে সাবধান করে দেন।


তিনি বলেন, "এখন বিনিয়োগ করলে পস্তাতে হতে পারে।"


তারা উভয়েই পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিস অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।


ফখর উদ্দিন বলেন, "এসইসিকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন, যাতে কড়া নজরদারির মাধ্যমে তারা বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা দিতে পারে।"


"এসইসিকে বিতর্কিত করে পুঁজিবাজার চলবে না", বলেন তিনি।


তিনি বিনিয়োগকারীদের 'গুজবে' কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "এটা বিনিয়োগ করার সময় না।"


বিনিয়োগের আগে তিনি শেয়ারের মৌলিক বিষয়গুলো যাচাই করে নেওয়ারও পরামর্শ দেন।


বিপর্যয় এড়াতে সুপারিশ


বিপর্যয় এড়াতে স্টক এক্সচেঞ্জের এই দ্ইু কর্মকর্তা পুঁজিবাজারে স্টেট রান এন্টারপ্রাইজের (এসওই) শেয়ার চালুর পরামর্শ দেন।


সিএসই সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ বলেন, "বর্তমান পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজি বাজারে এনে সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।"


"দেরি হলে ভয়াবহ বিপর্যয় আসবে", হুঁশিয়ারি দেন শাকিল রিজভী।


পুঁজিবাজারে ২৮ লাখ বিনিয়োগকারী রয়েছে জানিয়ে ডিএসই সভাপতি বলেন, "যদি একবার পতন শুরু হয় তবে তা কাটিয়ে উঠতে অনেক বছর সময় লেগে যাবে।"


তিনি বলেন, "বেশি দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই সরকারকে এসওই শেয়ারের বিষয়ে কিছু করা উচিত।"

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,প্রথম আলো
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) আজ সোমবার বেলা ১১টায় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন স্থগিত করেছে।
ব্যাংকটির শেয়ারের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ৭ অক্টোবর কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় ডিএসই। ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক ডিএসইর নোটিশের উত্তর দিতে দেরি করায় আজ সকালে লেনদেনের শুরুতেই প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে বলে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। 

 আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে শেয়ারবাজার, সাধারণ সূচক বেড়েছে ১০৩.৮৯ পয়েন্ট

অনলাইন প্রতিবেদক,প্রথম আলো
গতকাল রোববারের দরপতনের পর আজ সোমবার আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে ঢাকার শেয়ারবাজার। আজ বেলা তিনটায় লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সাধারণ মূল্যসূচক ১০৩ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩৯৬ দশমিক ৪৩ পয়েন্টে।
আজ বেলা ১১টায় লেনদেনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সাধারণ সূচক ওঠানামা করে। লেনদেনের শুরুতে সাধারণ সূচক ১৯ পয়েন্ট বেড়ে যায়। দুপুর ১২টার দিকে সাধারণ সূচক বেশ কমে যায়। সোয়া ১২টার পর থেকে আবারও সাধারণ সূচকের ঊর্ধ্বগতি লক্ষ করা যায়।
এদিকে ডিএসইতে আজ মোট এক হাজার ৫৬৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ৮০০ কোটি টাকা কম।
আজ শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে। লেনদেন হওয়া মোট ২৪৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৯টির, কমেছে ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া সাতটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত ছিল।
লেনদেনে শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো: প্রিমিয়ার ব্যাংক, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স সার্ভিসেস, উত্তরা ফিন্যান্স, সামিট পাওয়ার ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক।
আজ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে উত্তরা ফিন্যান্সের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া বিজিআইসি, বিডি ফিন্যান্স, সোনারগাঁও টেক্সটাইল ও পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স সার্ভিসেস দাম বেড়ে যাওয়া শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
এ ছাড়া দাম কমে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো: ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফিন্যান্স করপোরেশন, কোহিনুর কেমিক্যাল, লিব্রা ইনফিউশনস, বিএসসি ও স্টাইল ক্রাফট।
আজ ডিএসইর বাজার মূলধন ৩,২১,৫১১ কোটি টাকা।
এদিকে টানা ১৫ দিন অব্যাহতভাবে শেয়ারের দর বাড়ার পর গতকাল রোববার দেশের দুই শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন ঘটে। শেয়ারের দাম অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে গত শনিবার ডিএসই ও সিএসইর নেতারা যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে সতর্ক করেন বিনিয়োগকারীদের।
ডিএসই কর্মকর্তাদের সতর্কতা ও গতকাল রোববার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) হিসাব করে ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে এসইসির নির্দেশনা বহাল রাখায় শেয়ার বাজারে এর প্রভাব পড়ে। এর জের ধরে গতকাল দুই শেয়ার বাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়। তবে এক দিন অতিবাহিত হতে না হতেই আজ আবারও শেয়ারবাজার চাঙা হয়ে ওঠে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। 

শেয়ারবাজারের সংক্ষিপ্ত সংবাদ

যমুনা ব্যাংক লিমিটেডের ৫০০০০ শেয়ার বিক্রি

যমুনা ব্যাংক লিমিটেডের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ও পরিচালক এম এ খায়ের জানিয়েছেন, তাঁর কাছে প্রতিষ্ঠানটির ৮,০০,৬২০টি শেয়ার রয়েছে। এর মধ্য থেকে ৫০,০০০ শেয়ার তিনি বিদ্যমান বাজারমূল্যে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিক্রি করতে আগ্রহী। 

বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ৪২২৫০ শেয়ার বিক্রি

বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ও পরিচালক আশরাফুল রেজা জানিয়েছেন, তাঁর কাছে প্রতিষ্ঠানটির ১,২৬,৭৫০টি শেয়ার রয়েছে। এর মধ্য থেকে ৪২,২৫০টি শেয়ার (বোনাস শেয়ার) বিদ্যমান বাজারমূল্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বিক্রি করতে আগ্রহী। 

এনবিএলের ৩০০০০০ শেয়ার বিক্রি হবে

এনবিএলের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ও পরিচালক হাবিবুল্লাহ জানিয়েছেন, তাঁর কাছে প্রতিষ্ঠানটির ১০,০৯,০২০টি শেয়ার রয়েছে। এর মধ্য থেকে তিনি ৩,০০,০০০ শেয়ার বিদ্যমান বাজারমূল্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বিক্রি করতে আগ্রহী। 

পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স সার্ভিসেসের ২২০০০০ শেয়ার বিক্রি হবে

পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেডের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ও পরিচালক মো. ইরশাদ আলী জানিয়েছেন, তাঁর কাছে প্রতিষ্ঠানটির ২২,৩০,৯৫০টি শেয়ার রয়েছে। এর মধ্য থেকে ২,২০,০০০টি শেয়ার (বোনাস শেয়ার) তিনি বিদ্যমান বাজারমূল্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বিক্রি করতে আগ্রহী।

২৮ নভেম্বর ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের ইজিএম

ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আগামী ২৮ নভেম্বর বিকেল সাড়ে তিনটায় ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে অনুষ্ঠিত হবে। ইজিএমের রেকর্ড ডেট ২১ অক্টোবর। ইজিএমের অন্যান্য তথ্য পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ঠিক থাকবে।

১২ থেকে ১৪ অক্টোবর পিপলস ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার স্পট মার্কেটে বিক্রি হবে

পিপলস ইন্স্যুরেন্স জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির বিশেষ সাধারণ সভার (ইজিএম) রেকর্ড ডেটের আগে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার লেনদেন স্পট মার্কেটে অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া ইজিএমের রেকর্ড ডেট থাকায় ১৮ অক্টোবর তাদের শেয়ার লেনদেন স্থগিত থাকবে।
সূত্র: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)

Sunday, October 10, 2010

ফের বীমা আইন সংশোধনের উদ্যোগ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
ফের বীমা করপোরেশন আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বীমা করপোরেশন আইনের সংশোধনে একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। কিন্তু এটি আইনে রূপ না দিয়ে নতুন করে সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে আগামী ১০ অক্টোবর সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ একটি বৈঠক ডেকেছে।
বিদ্যমান বীমা করপোরেশন আইন, ১৯৭৩-কে সংশোধন করে করা হবে বীমা করপোরেশন (সংশোধন) আইন, ২০১০। গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বীমা করপোরেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০০৮ উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছিল। এর ভেটিংও সম্পন্ন করেছিল আইন মন্ত্রণালয়।
সূত্র জানায়, বীমা আইন এবং বীমা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন পাস হওয়ার বছর হতে চললেও আইনের কোনো বিধি এখনও প্রণীত হয়নি। ফলে পুরনো আইনের মাধ্যমেই চলছে দেশের বীমা খাত।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, নতুন বীমা আইনে অনেক কিছুরই পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা বীমা করপোরেশনের বিদ্যমান কার্যপ্রণালী বিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সুতরাং সময় এসেছে বীমা করপোরেশন আইনেও সংশোধনী আনা।
যোগাযোগ করলে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, বীমা করপোরেশন আইনের সংশোধন নিয়ে আগামী সপ্তাহে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে। বৈঠকে আইনটি যুগোপযোগী করা নিয়ে আলোচনা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার সময়ে অনুমোদিত বীমা করপোরেশন আইনে কোম্পানিগুলোর অনুমোদিত মূলধনের ব্যাপারে সংশোধনী আনা হয়েছিল। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের কিছু অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দিলেও অনেক অধ্যাদেশকেই রাখা হয় এর বাইরে। বীমা করপোরেশন (সংশোধন) আইনটিও সেগুলোরই একটি।
সূত্র জানায়, বিদ্যমান বীমা করপোরেশন আইনের পাঁচ নম্বর ধারায় কোম্পানিগুলোর অনুমোদিত মূলধনের আকার সম্পর্কে বলা হয়েছে। গত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে উপদেষ্টারা বীমা করপোরেশন এবং বীমা কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, দেশে সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং জীবন বীমা করপোরেশন নামে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা করপোরেশন রয়েছে।

মেট্রো স্পিনিংয়ের বোনাস শেয়ার ঘোষণা

স্টাফ করেসপন্ডেন্টবাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডি
ঢাকা: মেট্রো স্পিনিং লিমিটেডের পরিচালনা পরিষদ ২০০৯-১০ অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডাদের জন্য ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে।

রোববার কোম্পানির ৫৭তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আলহাজ আব্দুল আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী খোকনসহ পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে ২০০৯-২০১০ অর্থবছরের ২০% বোনাস শেয়ার (প্রতি ৫শ’ শেয়ারের বিপরীতে একশটি শেয়ার) প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

আগামী ২৭ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯ টায় গুলশানের স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে কোম্পানির ১৫তম সাধারণ বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৫ অক্টোবর।

সভায় ২০০৯-২০১০ অর্থবছরের নিরীতি হিসাবও অনুমোদন করা হয়।

সভায় জানানো হয়, ২০০৯-১০ অর্থবছরে টেক্সটাইল খাতে প্রতিকূল পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও কোম্পানির মোট বিক্রয় ছিল ৬৩.৩৯ কোটি টাকা। একইসঙ্গে এ সময়ে কোম্পানির করপূর্ব নীট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১৪.৪৮ কোটি টাকা  ও কর পরবর্তী মোটা মুনাফা হয়েছে ১৩.২৩ কোটি টাকা। ইপিএস অর্জিত হয়েছে ৩.৮৪ টাকা।

বছর শেষে কোম্পানির স্থায়ী সম্পদের পরিমাণ ৯১.১৭ কোটি টাকা এবং শেয়ার প্রতি নেট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) ২৮.৭৫ টাকা।

এসইসির সিদ্ধান্তই বহাল: নিষ্পত্তি পর্যন্ত হাইকোর্টের রুল স্থগিত

স্টাফ করেসপন্ডেন্টবাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডি
ঢাকা: মার্জিনঋণ নির্ধারণ এবং ঋণ-অযোগ্য কোম্পানির শেয়ারের নেটিং বন্ধে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

রোববার প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ নিষ্পত্তি পর্যন্ত হাইকোর্টের দেওয়া রুল স্থগিত করেছেন। একই সঙ্গে উভয়পক্ষকে রুলের নিষ্পত্তি করারও নির্দেশ দিয়েছেন।

শেয়ারের বাজারমূল্য ও প্রকৃত সম্পদমূল্যের (এনএভি) অর্ধেকের ভিত্তিতে

গত ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের দেওয়া রায় তিনমাসের জন্য স্থগিত করেছেন

এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর এসইসি শেয়ারের বাজারমূল্যের সঙ্গে প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) সমন্বয় করে মার্জিন লোন নির্ধারণের একটি নির্দেশনা জারি করে। এরপর ২১ সেপ্টেম্বর জারি করা আরেকটি নিদের্শনায় ঋণ-অযোগ্য শেয়ারের নেটিং বন্ধে আরেকটি নির্দেশনা জারি করে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ সেপ্টেম্বর বিনিয়োগকারী মোরশেদুল রহমান ও শাহনেওয়াজ জুয়েল এসইসির এ সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। পরদিন সোমবার সামবার বিচারপতি সৈয়দা আফসার জাহান ও বিচারপতি মামনুন রহমানের আদালত এসইসির সিদ্ধান্ত তিনাসের জন্য স্থগিত করেন। একইসঙ্গে আদালত নির্দেশনা দু’টিকে কেন আইন বহির্ভূত ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়, এসইসি, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতি রুল জারি করেন।

রোববার রিটকারীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস ও অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ। আর সরকারপক্ষে ছিলেন অ্যাটনিং জেনারেল মাহবুবে আলম।

পুঁজিবাজারে অঘটন হলে সরকারকেই দায় নিতে হবে

ঢাকা, ৯ অক্টোবর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারে শেয়ারের চরম সঙ্কটের কারণে স্বাভাবিক সংশোধন না হওয়ায় তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়ে আছে। এ অবস্থায় পুঁজিবাজারের সামগ্রিক পিই রেশিও (মূল্য-আয় অনুপাত) বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে অবিলম্বে
শেয়ারের সরবরাহ না বাড়ানোয় বিনিয়োগকারীরা আর্থিক ক্ষতির শিকার হলে এর দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। রাজধানীর পূর্বানী হোটেলে ঢাকা ও চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, গত কিছুদিন যাবৎ পুঁজিবাজারে যৌক্তিক সংশোধন না হওয়ায় তালিকাভুক্ত অধিকাংশ শেয়ারের অতি মূল্যায়নের কারণে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি অনেক বেড়েছে। পুঁজিবাজারের প্রতি মানুষের আস্থা ধরে রাখতে হলে শেয়ারের অতি মূল্যায়ন রোধ এবং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমাতে দ্রুত শেয়ার সরবরাহ বাড়াতে হবে। তবে শেয়ার সরবরাহ বাড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
বিনিয়োগকারীদের কোম্পানির মৌলভিত্তি বিবেচনায় এনে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীকে নিজেকেই নিজের রেগুলেটর হতে হবে। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ঝুঁকি কমাতে অতি মূল্যায়িত শেয়ারে বিনিয়োগ না করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে কোন লোকসান হলে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীকেই তা বহন করতে হবে। এক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জ কোন দায় নেবে না।
এছাড়া পুঁজিবাজারে কোন বাজে কোম্পানি যাতে তালিকাভুক্ত হতে না পারে সে বিষয়ে বাজার নীতি নির্ধারকদের সজাগ থাকার আহবান জানিয়ে শাকিল রিজভী বলেন, অস্তিত্বহীন লোকসানি জেড ক্যাটাগরির বাজে কোম্পানি যা ইতিমধ্যেই তালিকাচ্যুত হয়েছে সেসব কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে কারা নিয়ে এসেছে তা তদন্ত করে খুঁজে বের করতে হবে। এছাড়া পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে বৈচিত্র আনতে বন্ড মার্কেট কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান। তিনি আরো বলেন, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) বিতর্কিত করে ক্যাপিটাল মার্কেট শক্তিশালী করা যায় না। তাই এসইসিকে শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় লোকবল দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান তিনি।
অনেকদিন ধরে সরকারি কোম্পানির শেয়ার পুঁজিবাজারে আসার কথা থাকলেও নানা জটিলতার কারণে এসব কোম্পানি তালিকাভুক্ত হচ্ছে না। অর্থমন্ত্রী নির্দেশ দেয়ার পরও সরকারি কোম্পানির শেয়ার না আসায় দুই স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একইসাথে তারা বাণিজ্যমন্ত্রী ও শিল্পমন্ত্রীর সহযোগিতাও কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে ডেসকো, যমুনা ওয়েলসহ তালিকাভুক্ত সরকারি কোম্পানির ৪৯ শতাংশ শেয়ার অফলোডের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে শেয়ারের বর্তমান সঙ্কট কাটানো সম্ভব বলে জানানো হয়। এ প্রক্রিয়ায় তালিকাভুক্ত সরকারি কোম্পানির শেয়ার স্বল্পতম সময়ে অফলোড করা সম্ভব। তারা বলেন, স্টক এক্সচেঞ্জ সব সময়ই সরকারকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে। তবে দ্রুততম সময়ে শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে এবং শেয়ার সঙ্কটের কারণে পুঁজিবাজারে খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে এর দায়-দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা সত্ত্বেও কার স্বার্থের কারণে সরকারি কোম্পানির শেয়ার বাজারে আসছে না সেটা খুঁজে দেখার দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
সংবাদ সম্মেলনে চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রেসিডেন্ট ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানি গঠন করে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করার সুযোগ রয়েছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশ এ ধরনের সুবিধা পুঁজিবাজার থেকে নিয়েছে।
পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দিয়ে সিএসইর প্রেসিডেন্ট বলেন, অতি মূল্যায়িত শেয়ারে বিনিয়োগ পরিহার করে ঝুঁকিমুক্ত থাকুন। এছাড়া বিনিয়োগকারীদের কোম্পানির মৌলভিত্তি বিবেচনায় বিনিয়োগের পাশাপাশি কোন একটি শেয়ারে সম্পূর্ণ অর্থ বিনিয়োগ না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পরামর্শ দেওয়ার জন্য পেশাদার পরামর্শকদের বিষয়টি উন্মুক্ত করে দেয়ার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতি আহবান জানিয়েছেন সিএসইর প্রেসিডেন্ট।
পুঁজিবাজারের বৃহত্তর  স্বার্থে  নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কোনভাবেই চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে দেয়া যাবে না। একই সাথে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে ন্যূনতম ৪০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে তা পুনর্বিবেচনার আহবান জানান তিনি। প্লেসমেন্ট শেয়ারের নামে বিভিন্ন কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধির যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে সে সম্পর্কেও সজাগ থাকার আহবান জানান সিএসইর প্রেসিডেন্ট। ইস্যু ম্যানেজারদের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আরো কঠোর নজরদারি করতে হবে। এছাড়া ওটিসি মার্কেটের লেনদেন ব্যবস্থা আরো সহজ করার দাবি জানান তিনি।

বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সঠিক প্রয়োগে কমিটি গঠন

ঢাকা, ১০ অক্টোবর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির প্রয়োগ সঠিকভাবে হয়েছে কি-না তা যাচাইয়ে ৪ সদস্যের আহবায়ক কমিটি গঠন করেছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এসইসির নির্বাহি পরিচালক এটিএম তারিকুজ্জামানকে প্রধান করে গঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা হচ্ছেন ঢাকা
ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা এবং মার্চেন্ট ব্যাংক এসোসিয়েশনের সভাপতি আরিফ খান। রিপোর্ট  দেয়ার কোন সময় বেঁধে দেয়া না হলেও তা দ্রুত দিতে কমিটিকে বলা হয়েছে। এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহি পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া ।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সঠিকভাবে প্রয়োগ হয়েছে কিনা এবং এ পদ্ধতিতে দর নির্ধারনের ক্ষেত্রে কোন ধরনের কারসাজির আশ্রয় নেয়া হয়েছে কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখবে আহবায়ক কমিটি। এছাড়া কিভাবে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি আরো গ্রহণযোগ্য করা যায় সে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে রিপোর্ট প্রদান করবে কমিটি। 
এর আগে গত ৯ জুন শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে বিতর্কিত বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন করে এসইসি। নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে কারসাজি প্রমাণিত হওয়ায় এ সংশোধন করা হয়। সংশোধন অনুযায়ী শেয়ারের প্রাথমিক দর নির্ধারণের জন্য সর্বনিম্ন তিন ক্যাটাগরির ৫টি প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে সকল যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীকে মূল্য নির্দেশের জন্য আহ্বান জানাতে হবে।
পাশাপাশি বিদ্যমান ব্যবস্থায় নির্দেশক মূল্য প্রস্তাবের প্রক্রিয়ায়ও পরিবর্তন আনা হয়। রোড-শো’র জন্য নির্ধারিত দিনে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নির্দেশক মূল্য গ্রহণ করা যাবে না বলে সংশোধনে উল্লেখ করা হয়। রোড-শো আয়োজনের পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে যোগ্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা এবং আর্থিক বিশ্লেষকের (ফাইন্যান্সিয়াল এনালিস্ট) যৌথ স্বাক্ষরে নির্দেশক মূল্যের প্রস্তাবনা পেশ করতে হবে। অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবনার গড়ের ভিত্তিতে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হবে। তবে এই প্রক্রিয়ায় ৫টি মার্চেন্ট ব্যাংকসহ কমপক্ষে ১৫টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ না করলে পুনরায় নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের জন্য প্রস্তাব আহ্বান করতে হবে। এর আগে সর্বনিম্ন তিন ক্যাটাগরির মোট ৫টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করলেই নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা যেতো।
২০০৯ সালে আইন প্রণয়নের এক বছর পর গত মার্চ মাস থেকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির বাস্তব প্রয়োগ শুরু হয়। ইতিমধ্যে ওশেন কন্টেইনার এবং খুলনা পাওয়ার এই পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণ করে সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রি শুরু করেছে। এছাড়া আরএকে সিরামিকস, মালেক স্পিনিং বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর আইপিওতে লটারির মাধ্যমে বরাদ্দ প্রক্রিয়া শেষ করে। বুক বিল্ডিং পদ্ধতি প্রয়োগ করা এসব কোম্পানির শেয়ারের দর নিয়েই বাজার বিশ্লেষক ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর আগেই প্রতিটি কোম্পানির শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়েছে বলে তারা মনে করেন।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রেই কোম্পানিগুলো নিজেদের পছন্দ মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে অতিরিক্ত নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মূল্য নির্ধারণে সমঝোতার সুযোগ বন্ধের জন্যই বিধিমালা সংশোধন করা হয় বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে। এরপরও বিতর্ক সৃস্টি হওয়ায় এ পদ্ধতির সঠিক প্রয়োগ নিয়ে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হলো।

পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতন

গোলাম সামদানী, স্টাফ করেসপন্ডেন্টবাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডি
ঢাকা: টানা ১১ দিন ঊর্ধমুখী থাকার রোববার পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। সেই সঙ্গে কমেছে সব সূচক ও বাজার মূলধন।

অবশ্য এই দরপতনকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তাদের মতে টানা ঊর্ধমুখী থাকার পর বাজারে মূল্য সংশোধন হওটা জরুরি ছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ও পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘টানা ঊর্ধমুখীর পর আজ (রোববার) বাজারে স্বাভাবিক মূল্য সংশোধন হয়েছে। এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।’

তিনি আরও বলেন, বাজারে মূল্য সংশোধন হওয়ার পেছনে দুটি বিষয় কাজ করেছে, প্রথমটি ডিএসই ও সিএসই সভাপতির গতকালের সংবাদ সম্মেলন এবং রোববার মার্জিন লোন সংক্রান্ত মামলায় আপিল বিভাগের রায় এসইসির পক্ষে যাওয়া।’   

অন্যদিকে ডিএসই সভাপতি মো. শাকিল রিজভী বলেন, বাজারে মূল্য সংশোধন হওয়াটা পুঁজিবাজারের স্বার্থেই জরুরী ছিল। এটি আরো আগে হলে ভালো হতো। তবে দেরিতে হলেও বাজার স্বাভাবিকভাবে কারেকশন হয়েছে। এটি বাজারের জন্য ভালো দিক।

অন্যদিকে, বিনিয়োগকারী আলাউদ্দিন আহমেদ বিজভী বাংলানিউজকে বলেন, ‘শেয়ারবাজার তার স্বাভাবিক নিয়মেই কারেকশন হবে। কিন্তু আজ ডিএসই ও সিএসই সংবাদ সম্মেলন করে এক প্রকার জোর করে বাজারের কারেকশন করেছে। এটা ঠিক হয়নি। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।’   

এদিন ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮৭ দশমিক ৭৯ পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ২৯২ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এটি গত ২৫ জুলাইয়ের পর একদিনে সর্বো”” সূচক পতন। ওইদিন ডিএসইতে সাধারন মূল্যসূচক ২০৪ পয়েন্ট কমেছিল।

লেনদেন হওয়া ২৪০টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ২৫ টির, কমেছে ২১২ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি শেয়ার। দিনশেষে লেনদেনের পরিমাণ ২ হাজার ৩৬৪ কোটি ৭৬ লাখ ৩৩ হাজার ২৫০ টাকা যা আগের দিনের চেয়ে ৪৩৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা কম।

রোববারের আগে ডিএসইতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ১১ কার্যদিবসে সাধরাণ মূল্যসূচক ৫৯৮ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এই সময়ে বাজার মূলধন বাড়ে ১৮ হাজার ১৭২ কোটি টাকা। বাজারের এই ঊর্ধমুখীতে এসইসি বাজার নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। এসইসির এসব পদক্ষেপ আইনি বাধার সম্মুখীন হয়।

তবে আজ সর্বোচ্চ আদালত এসইসির মার্জিন লোন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বহাল রাখায় বাজারে মূল্য সংশোধন হয়েছে।

সিএসইতেও এদিন লেনদেন হওয়া ১৮২টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ২৫টির, কমেছে ১৫১টির এবং ৬টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। দিনশেষে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ২১৭ কোটি টাকা৫৬ লাখ ৬ হাজার টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৬ কোটি ৮৯ লাখ  ৫৬ হাজার ৯৫৭ টাকা কম। সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২ দশমিক ৫৮৬৩ শতাংশ  কমে ২১ হাজার ২৪৫ দশমিক ৬৭৬৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়।

উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক ও বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমলেও আর্থিক লেনদেন তেমন একটা কমেনি। এদিন বেশির ভাগ বিনিয়োগকারী ব্যাংকের শেয়ারের দিকে ঝুঁকে পড়ে। ফলে দিনশেষে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় বেশির ভাগই ছিল ব্যাংকিং খাতের শেয়ার।

শেয়ারবাজারের সংক্ষিপ্ত সংবাদ

কাশেম ড্রাইসেলসের পরিচালনা পর্ষদের সভা ১৮ অক্টোবর

কাশেম ড্রাইসেলস জানিয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নিবন্ধন আইনের ৩০ ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সভা আগামী ১৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় অন্যান্য এজেন্ডার মধ্যে ২০০৯-২০১০ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুমোদনের জন্য আনা হবে। 

১১ থেকে ১৩ অক্টোবর সায়হাম টেক্সটাইলের শেয়ার স্পট মার্কেটে বিক্রি হবে

সায়হাম টেক্সটাইল জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির বিশেষ সাধারণ সভার (ইজিএম) রেকর্ড ডেটের আগে আগামীকাল সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার লেনদেন স্পট মার্কেটে অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া ইজিএমের রেকর্ড ডেট থাকায় ১৪ অক্টোবর তাদের শেয়ার লেনদেন স্থগিত থাকবে। 

১১ থেকে ১৩ অক্টোবর বিজিআইসির শেয়ার স্পট মার্কেটে বিক্রি হবে

বিজিআইসি জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির অভিহিত মূল্য ও মার্কেট লট পরিবর্তনের রেকর্ড ডেটের আগে আগামীকাল সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার লেনদেন স্পট মার্কেটে অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া রেকর্ড ডেট থাকায় ১৪ অক্টোবর তাদের শেয়ার লেনদেন স্থগিত থাকবে। 

ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সের ২০০০০ শেয়ার বিক্রি

ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ও পরিচালক জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি তাঁর কাছে থাকা প্রতিষ্ঠানটির ২০ হাজার শেয়ার বিদ্যমান বাজারমূল্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিক্রি করেছেন।  

প্রথম বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থার এনএভি ঘোষণা

প্রথম বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর দিনের কার্যক্রম শেষে করা হিসাব অনুযায়ী ফান্ডের প্রতিটি শেয়ারের ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের বিপরীতে চলতি বাজারমূল্যের ভিত্তিতে শেয়ারপ্রতি সম্পদের মূল্য (এনএভি) ২,০৮১.৬৬ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী ২০৮.৮৪ টাকা। ওই হিসাব অনুযায়ী মোট সম্পদ ও দায় বিবেচনা করে ফান্ডটির মোট সম্পদের দাম ১০৪,৪২১,৩০৩.৭৯ টাকা

প্রথম বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থার এনএভি ঘোষণা

প্রথম বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর দিনের কার্যক্রম শেষে করা হিসাব অনুযায়ী ফান্ডের প্রতিটি শেয়ারের ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের বিপরীতে চলতি বাজারমূল্যের ভিত্তিতে শেয়ারপ্রতি সম্পদের মূল্য (এনএভি) ২,০৮১.৬৬ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী ২০৮.৮৪ টাকা। ওই হিসাব অনুযায়ী মোট সম্পদ ও দায় বিবেচনা করে ফান্ডটির মোট সম্পদের দাম ১০৪,৪২১,৩০৩.৭৯ টাকা

রাইট শেয়ার ছাড়বে ফার্স্ট সিকিউরিটিজ ইসলামী ব্যাংক

ফার্স্ট সিকিউরিটিজ ইসলামী ব্যাংক জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত মূলধন বাড়াতে এবং নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের বিধিমালা মানার লক্ষ্যে রাইট শেয়ার ছাড়া হবে। ব্যাংকের প্রস্তাবিত রাইট শেয়ারের সাবস্ক্রিপশন করার সময় আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর ২০১০। প্রস্তাবিত রাইট শেয়ারের রেকর্ড তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০১০। 

ফার্স্ট লিজ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের ইজিএম ৯ ডিসেম্বর

ফার্স্ট লিজ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট জানিয়েছে, তৃতীয় বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আগামী ৯ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় পুরাতন বিমানবন্দর সড়কের ট্রাস্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। ইজিএমের জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারিত হয়েছে ২৭ অক্টোবর। বিশেষ সাধারণ সভাসংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে। 

 ডিএসইতে দরপতন, সাধারণ সূচক কমেছে ১৮৭.৭৯ পয়েন্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক,প্রথম আলো
 ঢাকার শেয়ারবাজারে গত কয়েক দিনের অব্যাহত চাঙাভাবের পর আজ রোববার নতুন সপ্তাহের শুরুতে ব্যাপক দরপতন হয়েছে। ১৫ দিনেরও বেশি সময় ধরে শেয়ারবাজারে চাঙাভাব বিরাজ করছিল।
এদিকে, আজ রোববার শেয়ারবাজারের ব্যাপক দরপতনকে অনেক বিনিয়োগকারীই ডিএসই ও সিএসইর গতকালের সংবাদ সম্মেলনের প্রভাব হিসেবে মনে করছেন।
ডিএসইতে আজ সাধারণ মূল্যসূচক ১৮৭ দশমিক ৭৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৭২৯২ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে। লেনদেনের শুরুতে সাধারণ সূচক ১৩৪ পয়েন্ট কমে যায়। কিছুক্ষণ পর সূচক কিছুটা বাড়ে। কিন্তু দুপুর ১২টার দিকে সাধারণ সূচক আবার ১৩১ দশমিক ৭০ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর থেকে সাধারণ সূচক ক্রমান্বয়ে নিম্নগামী হয়। এদিকে ডিএসইতে আজ মোট দুই হাজার ৩৬৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গতদিনের চেয়ে ৪৩৭ কোটি টাকা কম।
আজ শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া প্রায় সব ক্যাটাগরির শেয়ারের দাম কমেছে। লেনদেন হওয়া মোট ২৪০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৫টির, কমেছে ২১২টির আর দাম অপরিবর্তিত ছিল তিনটি প্রতিষ্ঠানের।
লেনদেনে শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো— প্রিমিয়ার ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স সার্ভিসেস, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক ও বেক্সিমকো।
আজ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ফুওয়াং সিরামিকসের শেয়ারের দাম। এছাড়া এপেক্স ওয়েভিং, এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংক দাম বাড়ার শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
এ ছাড়া দাম কমে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো—ইমাম বাটন, এইমস ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, কেয়া কসমেটিকস, ঢাকা ফিশারিজ ও কন্টিনেন্টাল ইনস্যুরেন্স।
আজ ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৩,১৬,৮০৬ কোটি টাকা।

Thursday, October 7, 2010

শত কোটি টাকার আল-আরাফাহ ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড অনুমোদন

স্টাফ করেসপন্ডেন্টবাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডি
ঢাকা: ১০০ কোটি টাকার আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ফার্স্ট ইসলামী মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অনুমোদন দিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় ফান্ডটির প্রসপেক্টাস অনুমোদন করা হয়।

মিউচ্যুয়াল ফান্ডটির ১শ’ কোটি টাকার মধ্যে স্পন্সর প্রতিষ্ঠান আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক ১০ কোটি টাকা দেবে। ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে। বাকি ৫০ কোটি টাকা আইপিও’র মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে।

এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ এই ফান্ডের ব্যবস্থাপক।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও ফু-ওয়াং সিরামিকসের রাইট শেয়ার অনুমোদন


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডি
ঢাকাঃ ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড ও ফু-ওয়াং সিরামিকস লিমিটেডের রাইট শেয়ার অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। কোম্পানি ২টি পুঁজিবাজার থেকে ৭১ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করবে। বৃহস্পতিবার এসইসির কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভা শেষে এসইসির মুখপাত্র ও কমিশনের নির্বাহী পরিচালক মো. আনোয়ারুল কবির ভূইয়া এই দুই প্রতিষ্ঠানের রাইট শেয়ার অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডাররা ৫টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার পাবেন। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে প্রতিটি রাইট শেয়ারের বিপরীতে কোনো প্রিমিয়াম নেওয়া হচ্ছে না। মোট ৫ কোটি ৬ লাখ রাইট শেয়ার ছেড়ে ৫০ কোটি ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে এ ব্যাংকটি।

অন্যদিকে ফু-ওয়াং সিরামিকসের শেয়ারহোল্ডাররা ২টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার পাবেন। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি রাইট শেয়ারের জন্য ২৫ টাকা প্রিমিয়াম দিতে হবে। ফু-ওয়াং সিরামিক ১৬ লাখ ৫০ হাজার রাইট শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করবে।

শেয়ারবাজার: দুই কার্যদিবসেই এইমসের দাম বেড়েছে ৪০ শতাংশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্টবাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডি
ঢাকাঃ রাইট ও বোনাস বাতিল করা সংক্রান্ত এসইসির সিদ্ধান্ত হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণার পর মাত্র দুই কার্যদিবসেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এইমস ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। একইসঙ্গে দাম বাড়ার কারণে প্রতিষ্ঠানটি পর পর দুইদিন মূল্য বাড়ার শীর্ষ তালিকায় উঠে আসে।

বুধবার ডিএসইতে এইমস মিউচুয়াল ফান্ডের প্রতিটি ইউনিটের সর্বশেষ লেনদেন হয় ২২ টাকা ৩৪ পয়সা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৯.৯৯ শতাংশ বেশি।
অন্যদিকে মঙ্গলবার এইমসের প্রতিটি ইউনিটের দাম তার আগের দিনের চেয়ে ১৯.৯৭ শতাংশ বেড়ে ১৮ টাকা ৬২ পয়সায সর্বশেষ লেনদেন হয়। এতে করে দুই কার্যদিবসে এইমসের দাম বেড়ে যায় ৩৯.৯৫ শতাংশ।

গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এইমসের রাইট ও বোনাস বাতিল করা সংক্রান্ত এসইসির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করায় বাজারে এই প্রতিষ্ঠানটির ইউনিটের দাম বাড়ছে।

তবে বাজার বিশ্লেষকরা এইমসের রাইট বোনাস ঘোষণার খবরে যেভাবে প্রতিষ্ঠানটির ইউনিটের দাম বাড়ছে এটাকে অস্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন। একই অভিমত এসইসির কর্মকর্তাদেরও।

এ বিষয়ে এসইসির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলানিউজকে বলেন, বর্তমানে এইমসের শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্যে (এনএভি) মাত্র ৬টাকা ৫৯ পয়সা। সে হিসেবে এর বাজার মূল্য হওয়া উচিত ১০ টাকার নীচে। কেননা বিশ্বের সব দেশেই মিউচুয়াল ফান্ড এনএভি‘র কাছাকাছি মূল্যে লেনদেন হয়। আমাদের দেশেও এইমস ছাড়া বাকি ফান্ডগুলোর ক্ষেত্রে তাই হচ্ছে।

কিন্তু এইমসের ইউনিটের দাম যেভাবে বাড়ছে এটা বিনিয়োগকারীদের জন্য বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।

পুজিঁবাজারের স্বার্থেই লক্‌ইন তুলছে না এসইসি

এসএম গোলাম সামদানী স্টাফ করেসপন্ডেন্টবাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডি
ঢাকা: অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সুপারিশ করলেও তালিকাভুক্ত কোম্পানির প্রাইভেট প্লেসমেন্টের শেয়ার বিক্রির ওপর থেকে নির্ধারিত সময়ের আগে নিষেধাজ্ঞা (লক্‌ইন) তুলে নিচ্ছে না সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। একইসঙ্গে কমিশন শেয়ার লেনদেন নিষ্পত্তির সময়ও কমিয়ে আনছে না।

বুধবার এসইসির একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলানিউজকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এসইসির একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তা বাংলানিউজকে বলেন, ‘সংসদীয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী প্রাইভেট প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রির উপর থেকে নির্দিষ্ট সময়ের আগে নিষেধাজ্ঞা (লক্‌ইন) তুলে নেওয়া হলে শেয়ারবাজারে অনৈতিক বাণিজ্যের প্রবণতা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাবে। তাই কমিশন প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রির ওপর থেকে লকইন তুলে নিচ্ছে না। তবে  সংসদীয় কমিটি লক ইন তুলে নেওয়ার পক্ষে সুপারিশ করার কারণে কমিশন এর বিরোধিতাও করতে পারছে না।’

অর্থমন্ত্রী দেশে ফেরার পর এ ব্যাপারে কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

অন্যদিকে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের শেয়ারের লক ইন তুলে নেওয়ার বিষয়ে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ খান বাংলানিউজকে বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন যারা বিভিন্ন সময়ে শেয়ার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত ছিলো তারাই প্লেসমেন্ট শেয়ারের লকইন তুলে নেওয়ার পক্ষে কথা বলছেন।’

‘বাজারের এই ঊর্ধগতিতে শেয়ার বিক্রি করে  মার্কেট থেকে তারা বের হয়ে যেতে চাচ্ছে। কারণ বাজার কারেকশন হলে এসব প্লেসমেন্টধারীদের লাভের পরিমাণ কমে যাবে’, বলেন তিনি।

এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বাজারে শেয়ারের অতিমূল্যায়িত রোধে শেয়ার সরবরাহ বাড়ানোর তাগিদ দেন। একইসঙ্গে কমিটি তাৎক্ষণিকভাবে শেয়ার সরবরাহ বাড়াতে শেয়ার লেনদেন নিষ্পত্তির সময় একদিনে কমিয়ে এনে এবং প্লেসমেন্ট শেয়ারের ‘লকইন’ তুলে দেওয়ার জন্য এসইসির কাছে সুপারিশ করেন। সংসদীয় কমিটির এই সুপারিশ নিয়ে পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা ব্যাপক সমালোচনা করলেও এ বিষয়ে এসইসি কোনো মন্তব্য করেনি।

নতুন কোন কোম্পানিকে ওটিসি মার্কেটে না পাঠানোর অনুরোধ ডিএসইর

ঢাকা, ৬ অক্টোবর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): দু’বছর লভ্যাংশ না দেয়া লোকসানি জেড ক্যাটাগরির আর কোন কোম্পানিকে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে না পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কর্মকর্তারা। বুধবার সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করে ডিএসই কর্মকর্তারা এ অনুরোধ জানান।
সুত্র জানায়, এসইসির চেয়ারম্যানের সাথে সাক্ষাতে ডিএসই নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, পুঁজিবাজারে বর্তমানে শেয়ারের প্রচণ্ড সঙ্কট চলছে। এ অবস্থায় যদি মূল বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করে ওটিসি মার্কেটে পাঠানো হয় তাহলে শেয়ারের সঙ্কট আরো তীব্র আকার ধারণ করবে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের জন্য আরো বেশি ঝুঁকি তৈরি হবে। তাই এ সময়ে নতুন করে আর কোন কোম্পানিকে ওটিসি মার্কেটে না পাঠানোর অনুরোধ জানান ডিএসই নেতৃবৃন্দ। তবে এ বিষয়ে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, আমরা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানি বন্ধ রয়েছে শুধুমাত্র তাদেরকে ওটিসি মার্কেটে প্রেরণের কথা বলেছি। তবে যেসব কোম্পানি নিয়মিত এজিএম (বার্ষিক সাধারণ সভা) করতে পারেনি তাদের তালিকাচ্যুত না করার কথা বলেছি। এছাড়া বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে এসইসি ও ডিএসই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একইসাথে বর্তমানের এই সঙ্কটের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমাতে আরো বেশি করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহে জেড ক্যাটাগরির মোট ২৯টি কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ অক্টোবর ২৫টি কোম্পানিকে ওটিসি মার্কেটে লেনদেনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ৫ অক্টোবর এসইসি আরো ৪টি কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ২০ অক্টোবর থেকে এ ৪টি কোম্পানির লেনদেন ওটিসি মার্কেটে শুরু হবে। এর ফলে ওটিসি মার্কেটে লেনদেনকারী কোম্পানির সংখ্যা দাঁড়াবে ৭৯টিতে।

শেয়ারবাজারে আসছে বস্ত্র খাতের কম্পানি জেনারেশন নেক্সট

নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ারবাজারে আসছে বস্ত্র খাতের আরেকটি কম্পানি জেনারেশন নেঙ্ট ফ্যাশন লিমিটেড কম্পানিটি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে শেয়ার ছাড়বে তারই অংশ হিসাবে গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে রোড-শো অনুষ্ঠিত হয় এতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অংশ নেন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরা হয় কম্পানির অতীত বর্তমান অবস্থা সেসঙ্গে তুলে ধরা হয় ভবিষ্য পরিকল্পনাও
কম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের তিন কোটি শেয়ার বাজারে ছাড়বে এর মাধ্যমে তারা বাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকারও বেশি সংগ্রহ করবে এই লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ঠিক করা হয়েছে ৫০ টাকা ৫০ টাকা নির্দেশক দামের ভিত্তিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে তিন কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে
বুক বিল্ডিং পদ্ধতির নিয়ম অনুযায়ী, চূড়ান্ত প্রাতিষ্ঠানিক দরপ্রস্তাবে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দেশক দামের ২০ শতাংশ কম-বেশি হারে সর্বোচ্চ ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৪০ টাকায় তাদের ক্রয় আদেশ জমা দিতে পারবে ৬০ টাকার সর্বোচ্চ দরপ্রস্তাবের ভিত্তিতে কম্পানিটি বাজার থেকে সর্বোচ্চ ১৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে পারবে
বস্ত্র খাতের কম্পানিটি চলতি বছরের মধ্যে ২০০ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ২০১৫ সালের মধ্যে তা ১০০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে এজন্য কম্পানিটি তাদের ৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে নতুন করে আরো ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে বলে জানানো হয়
বুক বিল্ডিং পদ্ধতির নিয়ম অনুযায়ী, তিন কোটি শেয়ারের মধ্যে ৬০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারী, ২০ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১০ শতাংশ করে শেয়ার মিউচ্যুয়াল ফান্ড প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বরাদ্দ থাকবে
গতকালের রোড শোতে জানানো হয়, তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের চূড়ান্ত দরপ্রস্তাবের ভিত্তিতে নির্দেশক দাম পুনর্নির্ধারণ করা হবে এরপরই শুরু হবে শেয়ার বিক্রির আনুষ্ঠানিক দরপ্রস্তাব কম্পানিটির শেয়ারের ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছে ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্ট
 
Copyright 2009 BANGLADESH SHARE BAZAR. Powered by Blogger Blogger Templates create by Deluxe Templates. WP by Masterplan