তথ্যসূত্রঃ ঢাকা নিউজ 24 ডট কম
বর্তমানে পুঁজিবাজার পূর্বের যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক বেশি বিসতৃতি লাভ করেছে বৃদ্ধি পেয়েছে বিনিয়োগকারীর সংখ্যাও। তাই আগামী ৬ মাসের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ইন্টারনেট ভিত্তিক লেনদেন শুরু করবে। যাতে করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসেও বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বাজারে অংশগ্রহনের মাধ্যমে দেশের মূল অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে। আজ বৃহষ্পতিবার ডিএসই ট্রেনিং একাডেমি কর্তৃক এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসই প্রেসিডেন্ট মোঃ রকিবুর রহমান এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নসহ সার্বিক উন্নতি করতে হলে শক্তিশালী পুঁজিবাজারের বিকল্প নেই। আর শক্তিশালী পুঁজিবাজার গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষিত অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের গুরুত্ব অপরিসীম। শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তির সংখ্যা যত বেশি বৃদ্ধি পাবে বাজার তত বেশি স্থিতিশীল হবে। কারণ অভিজ্ঞ লোকেরাই বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সু-পরামর্শ দিতে পারে। কর্মশালায় প্রেসিডেন্ট মোঃ রকিবুর রহমান আরও বলেন, কমপ্লায়েন্স অফিসারদের আরও বেশি দক্ষ, যোগ্য ও পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ডিএসই এই কর্মশালার আয়োজন করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাস নাগাদ ডিএসই দৈনিক লেনদেন ৩০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ আজ আর স্বল্প পরিসরে বিস্তৃত নয়। স্টক এক্সচেঞ্জ জাতীয় পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে এবং একটি জাতীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। রহমান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গ্রামীন উন্নয়নে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ভূমিকা অপরিসীম। বর্তমান বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়নে পুঁজিবাজার বিশেষ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ সরকারও পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে ব্যাপক উন্নয়ন করতে পারে। কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিএসই‘র ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মোঃ শাকিল রিজভী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সতীপতি মৈত্র এবং ডিএসই‘র উধ্বর্তন কর্মকর্তাবৃন্দ।

0 comments:
Post a Comment