Custom Search

Tuesday, February 23, 2010

বিকন ফার্মার আইপিও অনুমোদনে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি

সমকাল প্রতিবেদক
দীর্ঘ অনিশ্চয়তা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত পুঁজিবাজারে আসতে চলেছে দেশে ক্যান্সারের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রথম কোম্পানি বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস। সোমবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কোম্পানিটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদনে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে সোমবারের বৈঠকে এনসিসি ব্যাংকের রাইট শেয়ার ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে এসইসি। এসইসির চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করবে। বিক্রি করা হবে ৩ কোটি শেয়ার। আর এনসিসি ব্যাংক বিদ্যমান প্রতি ২টি শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার দেবে।
বিকন ফার্মাসিউটিক্যালসের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ১৯০ কোটি টাকা। এতে উদ্যোক্তাদের অংশ ৬০ কোটি টাকা। আর ১৩০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করা হয়েছে প্রি-আইপিও প্লেসমেন্টে শেয়ার বরাদ্দের মাধ্যমে। বর্তমানে কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৯ কোটি। শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। আইপিওর মাধ্যমে বাজারে বিক্রি করা হবে ৩ কোটি নতুন শেয়ার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে দেওয়া কোম্পানির খসড়া প্রসপেক্টাসে দেখা গেছে, ২০০১ সালে গঠিত এই কোম্পানি ২০০৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। উৎপাদন শুরুর পর প্রথম দুই বছর লোকসান গুনলেও তৃতীয় বছরে এসে নিজেকে লাভজনক অবস্থানে তুলে আনতে পেরেছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস। ময়মনসিংহের ভালুকায় অবস্থিত কারখানায় ট্যাবলেট, ক্যাপসুল ও ইনজেকশন তৈরি করা হয়। সংগৃৃহীত মূলধন কোম্পানির উৎপাদন, সম্প্রসারণ ও বহুমুখীকরণে ব্যয় করা হবে। কোম্পানিটির আইপিওর ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
জানা গেছে, প্রায় ৪ মাস আগে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড আইপিওর আবেদন জমা দিলেও অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সিদ্ধান্তের কারণে এটার বিষয়ে এতদিন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি এসইসি। অর্থ মন্ত্রণালয় গত বছর ৫ নভেম্বর এক বৈঠকে আইপিওর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের নূ্যনতম ৪০ শতাংশ শেয়ার ইস্যু করার শর্ত আরোপ করে। বিকন ফার্মার প্রস্তাবিত আইপিও এর চেয়ে ছোট হওয়ায় এসইসি কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। তবে সম্প্রতি মন্ত্রণালয় তার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করায় এই আইপিও অনুমোদনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি। জানা গেছে, কিছু বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকায় কোম্পানির কাছে হালনাগাদ তথ্য ও ব্যাখ্যা চাইবে এসইসি। এগুলো সন্তোষজনক হলে দেওয়া হবে চূড়ান্ত অনুমোদন।
এনসিসি ব্যাংক ২টি শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট হিসেবে ১ কোটি ১৪ লাখ শেয়ার ইস্যু করবে। শেয়ারের ইস্যুমূল্য হবে ১০০ টাকা। এভাবে ১১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। শিগগিরই কোম্পানিটি রেকর্ড তারিখ এবং রাইট শেয়ারের জন্য টাকা জমা নেওয়ার সময়সূচি ঘোষণা করবে।

23 February 2010 DSE News ( COMPANIES NEWS)


Source: DSE

SOUTHEASTB: The Bank has informed that the 350th meeting of the Board of Directors of the Bank will be held on 24.02.2010 commencing from 3:00 PM for consideration of Audited Annual Accounts for the year ended on 31.12.2009 and appropriation for the same period along with other agenda in the meeing.

PREMIERBAN: Trading of the shares of the Bank will be allowed only in the Spot Market and Block/Odd lot transactions will also be settled as per Spot settlement cycle with cum benefit from 24.02.10 to 28.02.10. Trading of the shares of the Bank will remain suspended on record date i.e., 01.03.10 for AGM and EGM.


EBL: Trading of the shares of the Bank will be allowed only in the Spot Market and Block/Odd lot transactions will also be settled as per Spot settlement cycle with cum benefit from 24.02.10 to 28.02.10. Trading of the shares of the Bank will remain suspended on record date i.e., 01.03.10.


FUWANGFOOD: Trading of the shares of the company will be allowed only in the Spot Market and Block/Odd lot transactions will also be settled as per Spot settlement cycle from 24.02.10 to 28.02.10. Trading of the shares of the company will remain suspended on record date i.e., 01.03.10 for EGM. Another Record Date for entitlement of Right shares to be notified later after obtaining approval from SEC.


NCCBANK: SEC has approved the Right Issue of NCC Bank Ltd. for 1,14,24,501 Ordinary Shares of Tk. 100.00 each at par totaling Tk. 114,24,50,100.00 only at a ratio of 1R:2 i.e. one Rights Share for two existing shares. The approval has been accorded subject to the condition that the Bank shall comply with the requirements embodied in the Securities and Exchange Commission (Rights Issue) Rules, 2006 and other relevant laws and Regulatory Requirements, and shall also adhere to the conditions imposed by SEC under Section-2CC of the Securities and Exchange Ordinance, 1969.


NBL: Mr. M. Haider Chowdhury, one of the Sponsors of the Bank, has reported his intention to sell 5,000 shares out of his total holdings of 11,498 shares of the Bank at prevailing market price through Stock Exchange within next 30 working days.


GOLDENSON: In response to a DSE query dated 22.02.10, the company has informed that there is no undisclosed price sensitive information of the company for recent unusual price hike.


EBL1STMF: On the close of operation on February 18, 2010, the Fund has reported Net Asset Value (NAV) of Tk. 14.12 per unit at current market price basis and Tk. 11.30 per unit at cost price basis against face value of Tk. 10.00, whereas Net Assets of the Fund stood at Tk. 1,411,621,155.93 based on market price and Tk. 1,130,324,064.73 based on cost price.


TRUSTB1MF: On the close of operation on February 18, 2010, the Fund has reported Net Asset Value (NAV) of Tk. 11.78 per unit on the basis of current market price and Tk. 10.19 per unit on the basis of cost price against face value of Tk. 10.00 whereas total Net Assets of the Fund stood at Tk. 2,355,711,476.07 on the basis of market price and Tk. 2,038,815,810.41 on the basis of cost price after considering all assets and liabilities of the Fund.


DHAKAINS: The Company has informed that the Board of Directors of the Company has approved to purchase a land measuring 11.6985 decimal (7.09 Katha) at 71, Purana Paltan Line, Kakarail, Dhaka at a negotiated price of Tk 10,28,00,000.00 only.

23 February 2010 DSE News


Source: DSE


DSE NEWS:
* The Training program titled "Training Program on Compliance in Basic Office Management for the Women Officials of the Member Companies." organized by the Academy, offered to only 2 Officials of each Member Company is scheduled to be very soon. The Academy (8th Floor, Modhumita Building, 158-160 Motijheel C/A, Dhaka-1000) shall remain open for registration (free of cost) from 10:00 am to 6:00 pm during office days every day. Interested participants are requested to reserve seat by early registration at DSE Training Academy on first come first serve basis. For further information, please contact at Tel: 9564601, Ex-153.


* The Third event of the program titled " Investors' Awareness Program for Women" organized by the Academy, offered to the Women Investors only of the Member Companies, DSE; is scheduled to be held on March, 2010. A group of 60 Women Investors would be considered for the program. Member Companies are requested to nominate their Women Investors' and reserve seat by early registration with the Academy on first come first serve basis. For further queries, please contact DSE Training Academy at Tel: 9564601, Ex-157.


* The Training program titled "Training Program on Compliance in Basic Office Management by the Member Companies." organized by the Academy, offered to only 2 Officials (1 Manager and 1 Compliance Officer) of each Member Company is scheduled to be very soon. The Academy (8th Floor, Modhumita Building, 158-160 Motijheel C/A, Dhaka-1000) shall remain open for registration (free of cost) from 10:00 am to 6:00 pm during office days every day. Interested participants are requested to reserve seat by early registration at DSE Training Academy on first come first serve basis. For further information, please contact at Tel: 9564601, Ex-153.


* The 3rd event of the 1-day Training program titled "Training Program on Orientation on Book Building Method" organized by the Academy, offered to the Honorable Members, is scheduled to be held on March 01, 2010 at 2.30 pm - 6.00 pm. Registration for the program is going on with the Academy at a cost of Tk. 2000 per participant (Registration is considered free for Members only). Interested participants are requested to reserve seat by early registration at DSE Training Academy on first come first serve basis. Last date of registration is February 23, 2010. For further information, please contact the Academy at Tel: 9564601, Ex-157.


* RAKCERAMIC: This is for information of all concerned that the registration for the eligible institutional investors against shares of RAK Ceramics (Bangladesh) Limited (RAKCERAMIC) will be commenced from the 23rd February 2010 at 10:00 and continue till 28th February 2010 at 2:00 p.m. through uniform and integrated book building system. All concerned eligible institutional investors are requested to complete registration process within the aforementioned period through the following web address http://bbsbangladesh.com. (Continue)

(Continuation of COMPANY NEWS regarding RAKCERAMIC): The Investor registration form is available at http://www.dsebd.org/ipo.php. There is two stages of registration process: 1) Submission of the hard copy of registration form after filling properly enclosing the copy of regulatory registration certificate duly attested by the Company Secretary/Managing Director of the company to listing department of DSE and 2) Submission of online registration at http://bbsbangladesh.com which will be available up to 28-Feb-2010 at 2:00 PM for RAKCERAMIC. (End) 

Monday, February 22, 2010

ম্যাকসন্স স্পিনিংয়ের ২০ ভাগ বোনাস শেয়ার অনুমোদন

তথ্যসূত্রঃ সমকাল

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্রখাতের প্রতিষ্ঠান ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলস লিমিটেডের পঞ্চম বার্ষিক সাধারণ সভা গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ২০০৮-০৯ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত লভ্যাংশ ২০ ভাগ বোনাস শেয়ার (প্রতি ৫০০ শেয়ারের বিপরীতে ১০০টি শেয়ার) অনুমোদন করেন শেয়ারহোল্ডাররা। গত অর্থবছরের পরিচালকমণ্ডলীর প্রতিবেদন ও নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণীসহ অন্য সব এজেন্ডা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত ও গৃহীত হয়।
সভায় জানানো হয়, কোম্পানি ওই বছর ১১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার কর-পূর্ব মুনাফা এবং ৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা নিট মুনাফা করেছে। কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৬৫ পয়সা। শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদের মূল্য ২৪ টাকা ৫৩ পয়সা। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা এবং টেক্সটাইল খাতে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও আলোচিত বছরে কোম্পানির মোট বিক্রি ছিল ৯৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। কোম্পানির চেয়ারম্যান আবদুল আলীর সভাপতিত্বে সভায় শেয়ারহোল্ডারদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী খোকন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

শেয়ারবাজারে নীরবে মূল্য সংশোধন

তথ্যসূত্রঃ সমকাল

শেয়ারবাজারে চলছে নীরব মূল্য সংশোধন। প্রতিদিনই কমছে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম। মূল্য হারানো শেয়ারের সংখ্যা মূল্য বৃদ্ধি সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। চলতি মাসের শুরু থেকেই চলছে এই ধারা। চলতি মাসের গত ১৫টি কর্মদিবসের মধ্যে ১২ দিনই লেনদেনে অংশ নেওয়া সিংহভাগ কোম্পানির শেয়ারের মূল্য কমেছে। এ সময় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গড়ে দৈনিক ২৪৪টি কোম্পানির শেয়ার কেনা-বেচা হয়েছে, যার মধ্যে গড়ে মাত্র ৯৯ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। কমেছে ১৪৩ কোম্পানির শেয়ারের দাম। কিন্তু বিশাল মূলধনের কোম্পানি গ্রামীণফোনের শেয়ারের টানা মূল্য বৃদ্ধির কারণে মূল্য সূচকে এই বাজার প্রবণতা প্রতিফলিত হয়নি। চলতি মাসে ডিএসইতে সাধারণ সূচক বেড়েছে ৩৯৩ পয়েন্ট। সূচক নিয়ন্ত্রণে রাখার তোড়জোড়ের মধ্যে আড়ালে যেন চাপা পড়ছে বিশেষ করে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের হাহাকার।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বাজার প্রবণতার পেছনে রয়েছে বেশ কয়েকটি বিষয়ের সম্মিলিত প্রভাব। গত মাসের শেষ ভাগ পর্যন্ত চলমান ঊর্ধ্বগতির কারণে অনেক বিনিয়োগকারী মুনাফায় ছিলেন। তারা শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিতে শুরু করায় বাজারে বিক্রির চাপ বেড়ে যায়। কয়েকটি ব্যাংকের প্রস্তাবিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের মনঃপূত না হওয়ায় সার্বিক ব্যাংকিং খাতের শেয়ারে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অন্যদিকে গ্রামীণফোনের শেয়ারের টানা মূল্য বৃদ্ধিতে বিনিয়োগকারীদের একটা বড় অংশই ওই শেয়ারে বিনিয়োগে অধিক পরিমাণে প্রলুব্ধ হচ্ছে। তারা গ্রামীণফোনের শেয়ার কেনার জন্য অন্য শেয়ার বিক্রি করে তহবিল সংগ্রহ করায় সেগুলোর দাম দ্রুত কমে যাচ্ছে। বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মূল্য সংশোধনের বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। এটি বাজারের সহজাত প্রবণতা। মূল্য সংশোধনের মাধ্যমে নতুন করে মূল্য বৃদ্ধির শক্তি সঞ্চয় করে বাজার। তবে গ্রামীণফোনের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক বেড়ে যাওয়ার প্রবণতাকে উদ্বেগজনক মনে করছেন তারা। কারণ মাত্র কয়েকটি শেয়ারে সব মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়লে বাজারে ভারসাম্যহীনতার শঙ্কা বেড়ে যেতে থাকে। তাছাড়া কোনো শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি যত বেশি হয়, তার মূল্য সংশোধনও তত তীব্র হয়। তাই এই ধারা বজায় থাকলে বিপুল সংখ্যক বিনিয়োগকারী আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
গত মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত সার্বিক বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও শেষ ভাগে এসে বাজার ধীরে ধীরে সংশোধনের দিকে এগোতে থাকে। আর চলতি মাসের গোড়ার দিকে এসে তা তীব্র হতে থাকে। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলতি মাসে লেনদেন দিবস ছিল ১৫টি। এর মধ্যে মাত্র তিন দিন লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। অবশিষ্ট সব দিনেই এই চিত্র ছিল উল্টো। ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গড়ে দৈনিক ২৪৪টি কোম্পানির শেয়ার কেনা-বেচা হয়। এদের মধ্যে গড়ে ৬১ শতাংশ শেয়ারেরই দাম কমেছে। বেড়েছে মাত্র ৩৯ শতাংশ শেয়ারের দাম। প্রায় একই চিত্র ছিল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)।
বাজার বিশ্লেষকরা আশা করছেন, ইতিমধ্যে কিছু খাতে যথেষ্ট মূল্য সংশোধন হওয়ায় শিগগিরই হয়তো গত দুই সপ্তাহের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসবে বাজার। গ্রামীণফোনের শেয়ারে অতিমাত্রায় যে ঝোঁক ছিল বিনিয়োগকারীদের তা যদি কিছুটা কমে আসে তাহলেও বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

Thursday, February 18, 2010

ছয় মাসের মধ্যে ডিএসই ইন্টারনেট ভিত্তিক লেনদেন শুরু করবে

তথ্যসূত্রঃ ঢাকা নিউজ 24 ডট কম


বর্তমানে পুঁজিবাজার পূর্বের যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক বেশি বিসতৃতি লাভ করেছে বৃদ্ধি পেয়েছে বিনিয়োগকারীর সংখ্যাও। তাই আগামী ৬ মাসের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ইন্টারনেট ভিত্তিক লেনদেন শুরু করবে। যাতে করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসেও বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বাজারে অংশগ্রহনের মাধ্যমে দেশের মূল অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে। আজ বৃহষ্পতিবার ডিএসই ট্রেনিং একাডেমি কর্তৃক এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসই প্রেসিডেন্ট মোঃ রকিবুর রহমান এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নসহ সার্বিক উন্নতি করতে হলে শক্তিশালী পুঁজিবাজারের বিকল্প নেই। আর শক্তিশালী পুঁজিবাজার গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষিত অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের গুরুত্ব অপরিসীম। শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তির সংখ্যা যত বেশি বৃদ্ধি পাবে বাজার তত বেশি স্থিতিশীল হবে। কারণ অভিজ্ঞ লোকেরাই বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সু-পরামর্শ দিতে পারে। কর্মশালায় প্রেসিডেন্ট মোঃ রকিবুর রহমান আরও বলেন, কমপ্লায়েন্স অফিসারদের আরও বেশি দক্ষ, যোগ্য ও পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ডিএসই এই কর্মশালার আয়োজন করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাস নাগাদ ডিএসই দৈনিক লেনদেন ৩০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ আজ আর স্বল্প পরিসরে বিস্তৃত নয়। স্টক এক্সচেঞ্জ জাতীয় পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে এবং একটি জাতীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। রহমান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গ্রামীন উন্নয়নে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ভূমিকা অপরিসীম। বর্তমান বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়নে পুঁজিবাজার বিশেষ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ সরকারও পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে ব্যাপক উন্নয়ন করতে পারে। কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিএসই‘র ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মোঃ শাকিল রিজভী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সতীপতি মৈত্র এবং ডিএসই‘র উধ্বর্তন কর্মকর্তাবৃন্দ।

Monday, February 15, 2010

ডিএসই তে মূল্য সূচকে নিম্নগতি (১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১০)

তথ্যসূত্রঃ ঢাকা নিউজ 24 ডট কম

আজ শেয়ার বাজারে সাধারণ মূল্য সূচকের পতন হয়েছে। সাধারণ মূল্য সূচক গতদিনের চেয়ে কমেছে। সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৬.৪৫ পয়েন্ট কমে ৫৭২৮.৯১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই- ২০ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৮.৫৭ পয়েন্ট কমে ৩১৮০.১২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। আজ লেনদেনকৃত ১৪৩ টি কোম্পানীর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬২ টির কমেছে ১৭৬ টির কমেছে এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫ টি কোম্পানীর শেয়ার।

এদিকে আজ সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ১৪৩ টি কোম্পানীর ৫ কোটি ৭৬ লক্ষ ৪২ হাজার ১ শত ৩০ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়। যার মোট মূল্য ১৬৫২ কোটি ১২ লক্ষ ৬০ হাজার ২ শত ৭৩ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৩৮ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা বেশি।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দর বৃদ্ধিতে আজকের প্রধান ১০টি কোম্পানী- গ্ল্যাক্সোস্মিথ ক্লাইন, কেয়া কসমেটিকস্‌, কেয়া ডিটারজেন্ট, এসিআই, ওরিয়ন ইনফিউশন, রেকিট বেঙ্কাইজার, গ্রামীণ-১ মিউচুয়াল ফান্ড, গ্রামীণ ফোন, এইমস্‌ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ও বেক্সিমকো।

অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানী হলো- ডাচ্‌ বাংলা ব্যাংক, সাভার রিফ্রেক্টরীজ, বিএলটিসি, পূরবী জেনারেল ইন্সুরেন্স, অগ্নি সিস্টেম, ফার্ষ্ট সিকিউরিটিজ ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক্‌, সোনালী আঁশ, এক্সিম ব্যাংক ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিঃ।

লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানী হলো- বেক্সিমকো, গ্রামীণ ফোন, এবি ব্যাংক, বেক্সটেক্স, কেয়া কসমেটিকস্‌, নাভানা সিএনজি, সামিট পাওয়ার, প্রিমিয়ার ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক ও এনবিএল।



আজকের মোট বাজার মূলধন: ২৩৩২৯৭৯৪৬১৭৯৩ টাকা. 

Thursday, February 11, 2010

শেয়ারবাজারে সূচকের ব্যাপক ওঠানামা ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১০

তথ্যসূত্র : আমার দেশ

 সূচকের ব্যাপক ওঠানামার মধ্য দিয়ে গতকাল শেষ হয়েছে এ সপ্তাহের শেয়ারবাজারের লেনদেন। এক ঘণ্টার ব্যবধানেই কয়েকবার সূচকের ওঠানামার ঘটনা ঘটে। গ্রামীণফোনের শেয়ারের কারণে বাজারে সূচকের এ ধরনের উত্থান-পতন হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। অবশ্য দিনশেষে গ্রামীণফোনের শেয়ারের দরপতন হলেও বেশিরভাগ ব্যাংকের শেয়ারের দরবৃদ্ধির কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৩৫ পয়েন্ট বেড়েছে। এর ফলে ডিএসই সূচক দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৩৫ পয়েন্টে। গতকাল সূচক বাড়লেও লেনদেন কম হয়েছে ৩ কোটি টাকা।
সূচকের ব্যাপক ওঠানামার বিষয়ে বাজার বিশ্লেষক এবং বেসরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস ফার্স্ট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াওয়ার সাঈদ বলেন, গ্রামীণফোনের শেয়ারের মূল্য ওঠানামার কারণে সূচকের ওঠানামার ঘটছে। এ কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়লেই সূচক বাড়ছে, কমলে সূচকও কমছে। একটি কোম্পানির শেয়ারের সঙ্গে সূচকের ওঠানামার কারণে বাজারে প্রভাব পড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গ্রামীণফোনের মতো আরও বড় কোম্পানি বাজারে এলে এ পরিস্থিতির অবসান হবে। তবে দিনশেষে গ্রামীণফোনের শেয়ারের দাম কমলেও সূচক বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বলেন, ব্যাংকগুলোর শেয়ারের দরবৃদ্ধির কারণেই সূচক বেড়েছে। গতকাল অধিকাংশ ব্যাংকের শেয়ারেরই দাম বেড়েছে।
গ্রামীণফোন শেয়ারবাজারের এখন সবচেয়ে প্রভাববিস্তারকারী কোম্পানি। এ কোম্পানির শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এসইসি এ কোম্পানির শেয়ার ক্রয়ে আর্থিক সমন্বয় সুবিধা বন্ধ করে দিয়েছে। গত দু’দিন আগে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। এর ফলে গত দু’দিনে কোম্পানিটির শেয়ারে কিছুটা দরপতন হয়েছে। আগের দিনের তুলনায় গতকাল দরপতন হয়েছে ১ টাকা ৫০ পয়সা। ৩১২ টাকা দিয়ে দিনের লেনদেন শুরু হলে এক পর্যায়ে তা ৩শ’ টাকায় নেমে আসে। কোম্পানির শেয়ারের দরপতনের ফলে সূচকও হারায় বাজার। পরে আবার কোম্পানিটি ঘুরে দাঁড়ায়। দিনশেষে ৩১২ টাকা ৫০ পয়সায় স্থিত হয় শেয়ারের দাম, যা আগের দিন ছিল ৩১৪ টাকা।
এদিকে গতকাল গ্রামীণফোন দর হারালেও বেড়েছে ব্যাংকিং খাতের প্রায় সব ক’টি কোম্পানির। আর দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের ৪টিই ছিল এ খাতের কোম্পানি। অবশ্য ১৭ শতাংশ দরবৃদ্ধির ফলে শীর্ষে ছিল চিটাগং ভেজিটেবল। এর পরেই ছিল ট্রাস্ট ব্যাংক। এ কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে ৮ শতাংশেরও বেশি। গতকাল ডিএসইতে লেনদেনকৃত ২৪৩টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০২টির, কমেছে ১৩৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৬টি কোম্পানির। লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি ছিল বেক্সিমকো, এবি ব্যাংক, গ্রামীণফোন, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স, ন্যাশনাল ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, বেক্সটেক্স, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক।
দর বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি ছিল ট্রাস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইসলামিক ফিন্যান্স, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, আফতাব অটো, ঢাকা ব্যাংক, ম্যাকসন স্পিনিং, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক ও মডার্ন ডায়িং। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষ ১০টি কোম্পানি ছিল রেকিট বেঙ্কাইজার, ইমাম বাটন, জিকিউ বল পেন, রহিম টেক্সটাইল, বিআইএফসি, গ্রিন ডেল্টা, আনোয়ার গেলভানাইজিং, বিডি ওয়েল্ডিং, আরএন স্পিনিং ও মিথুন নিটিং।

Wednesday, February 10, 2010

আগামী মাসে শেয়ারবাজার মেলা

SOURCE: ঢাকা নিউজ 24 ডট কম

 আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে দ্বিতীয় শেয়ারবাজার মেলা। ২৫-২৮ মার্চ চার দিনব্যাপী মেলার আয়োজন করছে শেরাটন হোটেল। বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা সৃষ্টি এবং ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংককে শেয়ারবাজারের প্রতি আরও বেশি উৎসাহিত করাই মেলা আয়োজনের উদ্দেশ্য বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে নতুন উদ্যোক্তাদের বাজারে শেয়ার ছাড়তে বিশেষ সেমিনার থাকবে। জানা গেছে, মেলায় মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসসহ মোট ৬৫টি স্টল থাকবে। এসব স্টলে বিনিয়োগকারীদের শেয়ারবাজারের বিভিন্ন তথ্য সংবলিত প্রসপেক্টাস থাকবে। দেশের দুই পুঁজিবাজার মেলায় সার্বিক সহায়তা করবে বলে জানা গেছে। মেলায় ব্রোকারেজ হাউসগুলো বিনিয়োগকারীদের জন্য বিও অ্যাকাউন্ট খুলবে। ডিএসই কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের পুঁজিবাজার বিকাশে সহায়তা করবে।

১০ ফেব্রুয়ারী ২০১০ শেয়ার বাজারের খবর

SOURCE: ঢাকা নিউজ 24 ডট কম,

আজ বুধবার ঢাকা স্ট এক্সচেঞ্জে মোট ২৪৭ টি কোম্পানীর কোটি ২৫ লক্ষ ৭১ হাজার শত ৭৫ টি শেয়ার মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়যার মোট মূল্য ১৪১১ কোটি ৫৪ লক্ষ ৭৮ হাজার শত ৯৮ টাকাযা আগের দিনের চেয়ে ১১৫ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা বেশি

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২.৪৫ পয়েন্ট কমে ৫৬০০.৭৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই- ২০ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৭.৬৫ পয়েন্ট বেড়ে ৩১৮৫.২৬ পয়েন্টে দাঁড়ায়। আজ লেনদেনকৃত ২৮৭ টি কোম্পানীর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২০ টির কমেছে ১২২ টির কমেছে এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫ টি কোম্পানীর শেয়ার।

দর বৃদ্ধিতে আজকের প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- ইউনাইটেড লিজিং, এইচআর টেক্স, ওয়ান ব্যাংক লিঃ, কেয়া ডিটারজেন্ট, কেয়া কসমেটিকস্‌, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এন্ড ফিনান্সিয়াল, সাভার রিফ্রেক্টরীজ, অগ্নি সিস্টেম, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ও বীচ্‌ হ্যাচারী। 

অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- বাংলাদেশ শিপিং কর্পো, রহিম টেক্সটাইল, রেনেটা, স্টাইলক্র্যাফট, ফেডারেল ইন্সুরেন্স, ফার্মা এইড, লিব্রা ইউফিউশন, নিলয় সিমেন্ট, মিথুন নিটিং ও মার্কেন্টাইল ইন্সুরেন্স।

লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- বেক্সিমকো, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স, গ্রামীন ফোন, বেক্সটেক্স, ইউনাইটেড লিজিং, কেয়া কসমেটিকস্‌, প্রাইম ব্যাংক লিঃ, প্রিমিয়ার ব্যাংক, এবি ব্যাংক নাভানা সিএনজি
আজকের বাজার মূলধন: ২২৯২,৮৯,৭৮,৮৯,৯৪৯.০০ টাকা।

Phoenix Finance 1st Mutual Fund IPO

Phoenix Finance 1st Mutual Fund IPO Details Bellow:


Subscription Open: March 07, 2010
Subscription Close: March 11, 2010
For Non Resident Bangladeshi: March 07, 2010 to March 20, 2010

Offer Price (in Taka):  Tk. 10.00 per unit
Face Value (in Taka):  Tk. 10.00 per unit
Market lot (in unit):   500 Units
Sponsors Portion (in unit):  20,000,000 units
Pre IPO Placement Portion (in unit):  10,000,000 units
Public Offer (in unit): 30,000,000 units
Size of the Fund (in unit):  60,000,000 units
Size of the Fund (in Taka): Tk. 600,000,000
Asset Manager:  ICB Asset Management Company Limited
Sponsor:  Phoenix Finance & Investments Limited
Trustee and Custodian:  Investment Corporation of Bangladesh
Application Document Available at:  DSE & CSE Library, DSE Members house,
Asset Manager, Underwriter and designated banks And also Here

Website: www.icbamcl.com.bd


For More Information Please Visit This Website

SOURCE: DSE

Thursday, February 4, 2010

শেয়ারবাজারে এবার লেনদেন পতনে রেকর্ড!

Source: আমার দেশ

 শেয়ারবাজারে একের পর এক লেনদেন বৃদ্ধির পর এবার পতনেও রেকর্ড হলো! গতকাল সপ্তাহের শেষদিনে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে একদিনেই লেনদেন কমেছে ৪৯৩ কোটি টাকা। শেয়ারবাজারের ইতিহাসে মাত্র একদিনের ব্যবধানে এ ধরনের লেনদেন পতনের ঘটনা ঘটেনি। এ বছরের শুরু থেকেই অনেকটা পাল্লা দিয়ে বাড়ছিল শেয়ারবাজারের লেনদেন। প্রতি সপ্তাহে লেনদেনে নতুন নতুন রেকর্ড গড়া আর ভাঙার ঘটনা ঘটে। বছরের শুরুর দিন লেনদেন দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৪ টাকা। ধারাবাহিকভাবে তা বাড়তে বাড়তে গতকালের আগের দিন পর্যন্ত তা হয়েছিল ১ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকায়। কিন্তু গতকাল এ সপ্তাহের শেষ লেনদেন দিবসে বড় ধরনের পতনের ঘটনা ঘটল। লেনদেন কমে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৪৪ কোটি টাকায়। অর্থাত্ মাত্র একদিনের ব্যবধানেই ডিএসইতে লেনদেন পতনে নতুন রেকর্ড হলো। আর গতকালের এ লেনদেন দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে গত ২০ জানুয়ারি সর্বনিম্ন ১ হাজার ১০৮ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল ডিএসইতে। লেনদেনের বড় ধরনের পতন হলেও বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম এবং সাধারণ সূচক বেড়েছে ৩৪ পয়েন্ট।
সম্প্রতি লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাজারের রাশ টেনে ধরতে মার্জিন লোনের ক্ষেত্রে সীমা নির্ধারণ করে দেয়। মোট তিন দফায় মার্চেন্ট ব্যাংক এবং ব্রোকারেজ হাউসগুলোর ঋণ সুবিধা দেয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করে। প্রথম দফায় ঋণ সুবিধা দেয়ার ক্ষেত্রে আয়-মূল্য অনুপাত (পি-ই) ৭৫ নির্ধারণ করে দেয়। পরে তা কমিয়ে আনা হয় ৫০-এ। একইসঙ্গে গ্রাহকদের ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে ব্রোকারেজ হাউসগুলোর সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেয়া হয় ১ঃ২ মাত্রায়। কিন্তু তাতেও বাজারে তারল্য প্রবাহে লাগাম টেনে ধরা যায়নি। অবশেষে মার্চেন্ট ব্যাংক এবং ব্রোকারেজ হাউসগুলোর ক্ষেত্রে ঋণ দেয়ার সুবিধা ১ঃ১ মাত্রায় কমানো হয়। অবশ্য ঋণ সুবিধা সংক্রান্ত এ নির্দেশনা আগামী রোববার থেকে কার্যকর হবে। এসইসির একের পর এক হস্তক্ষেপে গতকাল বাজারে লেনদেনে বড় ধরনের পতন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যাতে অহেতুক আতঙ্ক বা ভীতি সঞ্চার না হয় সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি দেয়ার আহ্বান জানান তারা।
এদিকে ট্রেডারদের কারণেই শেয়ারবাজারে লেনদেন বাড়ছে বলে মনে করেন এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া। তিনি বলেন, এরা একটি শেয়ার বিক্রি করে আরেকটি শেয়ার কিনছে। বারবার কেনা-বেচার কারণে শেয়ারের দাম বেড়েই চলছে। অথচ একটি কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধির সঙ্গে কোম্পানির নিট সম্পদ মূল্যের একটি সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু এখানে যেভাবে কোম্পানির শেয়ারের মূল্য বাড়ছে তাতে মনে হয়, প্রতিদিনই কোম্পানির সম্পদ বাড়ছে। এ ধরনের প্রবণতা বাজারের জন্য ইতিবাচক নয় বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, না বুঝে শেয়ারবাজারে আসা উচিত নয়। তিনি বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আপনার টাকা আপনি বিনিয়োগ করবেন। পরে আর্থিক ক্ষতির শিকার হলে এসইসির বিরুদ্ধে মিছিল, সেম্লাগান করবেন—এটা হতে পারে না। পৃথিবীর কোনো দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনো বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার টাকা ফিরিয়ে দেয় না।
সম্প্রতি ডিএসই প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান ২০১১-এর ডিসেম্বর নাগাদ শেয়ারবাজারে দৈনিক লেনদেন ৩ হাজার কোটি টাকা হবে—এমন বক্তব্যের বিষয়ে তার মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের মন্তব্যের কারণে যদি পুঁজিবাজারে কোনো সমস্যা তৈরি হয় তার দায়দায়িত্ব তাহলে তাকেই নিতে হবে।
এদিকে গতকাল ডিএসইতে মোট ২৪৩টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬১টির, কমেছে ৭৮টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
দর বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি ছিল—ফু-ওয়াং ফুড, ইউনাইটেড লিজিং, গ্রামীণ-১, প্রাইম ফার্স্ট আইসিএবি, জিকিউ বল পেন, জেমিনি সি ফুড, আইসিবি এএমসিএল ১ম মিউচুয়াল ফান্ড, বিডি থাই, আইসিবি এমপ্লয়িজ মিউচুয়াল ফান্ড ও ফার্স্ট লিজ ইন্টারন্যাশনাল। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষ ১০টি কোম্পানি ছিল সোনালী আঁশ, সিএমসি কামাল, এইচআর টেক্স, দেশ গার্মেন্টস, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, সিটি ব্যাংক, পূরবী জেনারেল ইন্সুরেন্স, ঢাকা ফিশারিজ, জুট স্পিনার্স ও লিব্রা ইনফিউশন। লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি ছিল—গ্রামীণফোন, বেক্সিমকো, এবি ব্যাংক, বেক্সটেক্স, সাউথইস্ট ব্যাংক, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স, প্রাইম ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও এনসিসি ব্যাংক।

Wednesday, February 3, 2010

০৩ ফেব্রুয়ারী ২০১০ শেয়ার বাজারের খবর

তথ্যসূত্রঃ ঢাকা নিউজ 24
আজ বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ২৪৫ টি কোম্পানীর ৫ কোটি ৬৩ লক্ষ ৮৮ হাজার ১২ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়। যার মোট মূল্য ১৬৩৭ কোটি ৫১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শত ৯০ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৫৩ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা কম।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১০৩.৭৩ পয়েন্ট কমে ৫৩৯৯.৬৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই- ২০ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৭১.৬৮ পয়েন্ট কমে ৩০৪৯.৪৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়। লেনদেনকৃত ২৪৪ টি কোম্পানীর মধ্যে দাম বেড়েছে ৪২টির কমেছে ১৯৯ টির কমেছে এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩ টি কোম্পানীর শেয়ার। 


দর বৃদ্ধিতে আজকের প্রধান ১০টি কোমপানী হলো- অগ্নি সিস্টেম লিঃ, জেমিনী সী ফুড, এইমস্‌ ফাস্ট মিউ: ফান্ড, লিব্রা ইনফিউশন, ৩য় আইসিবি, আইসিবি এএমসিএল ২য় মিউ: ফান্ড, গ্রামীন স্কীম-২, আইসিবি ফার্স্ট এনআরবি ও ইস্টার্ন ব্যাংক লিঃ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড।


 অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানী হলো- নর্দান জুট, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, বিডি অটো কারস, বিডি থাই, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, জিকিউ বল পেন, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, সামিট পোর্ট এলায়েন্স, সমতা লেদার ও প্রিমিয়ার ব্যাংক।
লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানী হলো- গ্রামীন ফোন, বেক্সিমকো, এবি ব্যাংক, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স, প্রাইম ব্যাংক, বেক্সটেক্স, সাউথইষ্ট ব্যাংক, নাভানা সিএনজি, প্রিমিয়ার ব্যাংক ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক।

০২ ফেব্রুয়ারী ২০১০ প্রাইম ব্যাংক ১ম মিউচুয়াল ফান্ড

তথ্যসূত্রঃ ট্রেড সার্ভার


প্রাইম ব্যাংক ১ম মিউচুয়াল ফান্ডঃ ২ ফেব্রুয়ারী থেকে লেনদেন শুরু হয়েছে।আইন অনুযায়ী প্রথম ৩০ লেনদেন দিবসে এই শেয়ার কেনার জন্যে স্টক ব্রোকার বা মার্চেন্ট ব্যাংক কোনো ঋণ সুবিধা দিতে পারবে না। ১ ফেব্রুয়ারী কার্যক্রম শেষে ফান্ডের বাজার মূল্যের ভিত্তিতে তা ১০‌‌‌‍.০৭ টাকা। অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ।বাজার মূল্যের ভিত্তিতে মোট সম্পদ ১০১.৯৬ কোটি এবং খরচ মূ্ল্যের ভিত্তিতে তা ১০০.৭৫ কোটি টাকা ।

০২ ফেব্রুয়ারী ২০১০ শেয়ার বাজারের খবর

তথ্যসূত্রঃ ট্রেড সার্ভার

গ্রামীণফোনঃ ১ ফেব্রুয়ারী গ্রামীণফোন লিঃ এবং বাংলালিংক এর কোম্পানী ওরাসকম টেলিকম বাংলাদেশ লিঃ এর মধ্যে সারাদেশে নেটওয়ার্ক অংশীদারিত্বের একটি চুক্তি হয়েছে।

০২ ফেব্রুয়ারী ২০১০ শেয়ার বাজারের খবর

তথ্যসূত্রঃ ট্রেড সার্ভার

ক্যাটাগরী পরিবর্তনঃবাংলাদেশ অটোকার ৩ ফেব্রুয়ারী থেকে জেড ক্যাটাগরীতে
এসইসি সংবাদঃফেব্রুয়ারী এক নির্দেশনার মাধ্যমে এসইসি দুটি স্টক এক্সচেঞ্জকে ৫০ এর অধিক মূল্য-আয় অনুপাতে সিকিউরিটিজগুলোকে "মার্জিনেবল সিকিউরিটিজ" হিসাব গ্রহন না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

Tuesday, February 2, 2010

01 February 2010 DSE News

তথ্যসূত্র : ট্রেড সার্ভার থেকে
বেক্সিমকো ফার্মা: পূর্ব ঘোষনা অনু্যায়ী প্রেফানেন্সিয়াল শেয়ারে ৫০% ১২৬.২৬ টাকায় সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরিত হয়েছে ১ ফেব্রুয়ারী থেকে। ২ ফেব্রুয়ারী এই শেয়ারগুলো প্রেফানেন্সিয়াল শেয়ারহোল্ডারদের বিও একাউন্টে দেয়া হবে।


স্পটঃ ২ ফেব্রুয়ারী থেকে স্পট শুরু ম্যাকসন স্পিনিং।


মডার্ণ ডায়িং; ৩১ জানুয়ারি ২০১০ থেকে তারিখ রাত ৮ টা থেকে মডার্ণ ডায়িং এন্ড স্ক্রিন প্রিন্টিং এর কারখানা পরবর্তী নির্দেশ দেয়া পর্যন্ত লে অফ ঘোষনা করেছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।
 
Copyright 2009 BANGLADESH SHARE BAZAR. Powered by Blogger Blogger Templates create by Deluxe Templates. WP by Masterplan