Custom Search

Tuesday, June 29, 2010

চলতি বছরের মধ্যে ডিএসইতে অনলাইন লেনদেন

চলতি বছরের মধ্যেই দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অনলাইন লেনদেন চালু হবেঅনলাইন লেনদেনের প্রাথমিক অবকাঠামোর কাজ শেষ পযায়েভারতভিত্তিক যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের যৌথ বিনিয়োগের আইটি কোম্পানি কেমব্রিজ সলিউশন লিমিটেড বর্তমানে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার নির্মাণ করছে অনলাইন চালু হলে শেয়ার লেনদেন অনেক সহজ ও সাশ্রয়ী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরাদেশের বাইরে থেকেও তখন লেনদেনে অংশ নেওয়া যাবেএতে লেনদেনের পরিমাণ বাড়বেবিপুল পরিমাণ বিদেশি বিনিয়োগ আসবে শেয়ারবাজারে
বর্তমানে ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে লেনদেন অনুষ্ঠিত হয়সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারী ব্রোকারেজ হাউসে উপস্থিত থেকে অথবা টেলিফোনের মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচার অর্ডার দিয়ে থাকেনব্রোকারেজ হাউসের অনুমোদিত প্রতিনিধি তা কার্যকর করে থাকেনকোনো কোনো ব্রোকারেজ হাউসে ই-মেইল এবং মোবাইল ফোনের সংক্ষিপ্ত বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে অর্ডার দেওয়ার সুযোগ আছেঅনলাইন লেনদেনের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীই সরাসরি শেয়ার কেনা-বেচা করতে পারবেনতবে তখনও পরোক্ষভাবে এটি ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমেই কার্যকর হবেঅনলাইন বিনিয়োগে আগ্রহী গ্রাহককে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউসের ফরম পূরণ ও অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একটি কোড নম্বর সংগ্রহ করতে হবেওই কোড নম্বরের মাধ্যমে তিনি ব্রোকারেজ হাউসের হয়ে ট্রেডিং নেটওয়ার্কে সংযুক্তে নিজের লেনদেনটি সম্পন্ন করতে পারবেন
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ইতোমধ্যে অনলাইন লেনদেন চালু করলেও নানা কারণে এখনও তা তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি। অনলাইন লেনদেন জনপ্রিয় করতে সম্প্রতি সিএসই সিলেটে একটি রোড শোও করেছে এবং দেশের অন্যান্য এলাকায়ও রোড শো করবে। বর্তমানে সিএসইতে ২২টি সদস্য প্রতিষ্ঠান অনলাইন লেনদেন সুবিধা দিচ্ছে বলে জানা গেছে। ডিএসইর সদ্য বিদায়ী সভাপতি মোঃ রকিবুর রহমানের মেয়াদে অনলাইন লেনদেন চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে এর প্রাথমিক অবকাঠামোর কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে সফটওয়্যার উন্নয়নের কাজ। ডিসেম্বরের মধ্যে ডিএসই অবশ্যই অনলাইন লেনদেন চালু করতে সক্ষম হবে বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, একটি গতিশীল ও বিকাশমান বাজারের জন্য অনলাইন লেনদেন একান্ত অপরিহার্য। ডিএসইর তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রধান খায়রুজ্জামান বলেন, কার্যক্রম যেভাবে এগোচ্ছে, এতে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যেই অনলাইন লেনদেন শুরু করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, এ সুবিধা চালু হলে বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে শুধু কম্পিউটারের মাউস ক্লিকের মাধ্যমে ইন্টারনেটে যে কেউ মুহূর্তের মধ্যে শেয়ার কেনাবেচা করতে পারবেন। শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অনলাইন লেনদেন সুবিধা দেশের শেয়ারবাজারে নতুন মাত্রা যোগ করবে। ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে এবং বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকেও লেনদেনে অংশ নেওয়া যাবে। এ সুবিধা চালু হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের প্রতি অনেক আগ্রহী হবেন এবং বিপুল পরিমাণ বিদেশি বিনিয়োগ আসবে বলে মনে করেন তারা। তবে ওই সুবিধা চালুর আগেই বাজারে ভালো শেয়ারের পর্যাপ্ত সরবরাহ বাড়ানো জরুরি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ অনলাইন লেনদেন চালু হলে হঠাৎ করে শেয়ারের চাহিদা অনেক বেড়ে যাবে। তখন বাজারে পর্যাপ্ত শেয়ার না থাকলে দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়ে ভারসাম্যহীন হয়ে উঠতে পারে বাজার।










Source: ঢাকানিউজ 24 ডটকম

বিও হিসাব খোলার ফি ২০০ টাকা বাড়ল

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য ব্যবহৃত বেনিফিশিয়ারি ওনার (বিও) হিসাবের বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ ফি বাড়ানো হয়েছে। বিও প্রতি শেয়ারের ফি ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এসইসির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১ জুলাই থেকে নতুন ফির হার কার্যকর হবে। এই সময় থেকে আগামী ২০১১ সালের ৩০ জুনের মধ্যে কোনো বিনিয়োগকারী নতুন বিও হিসাব খুললে প্রতি হিসাবের জন্য ৫০০ টাকা ফি পরিশোধ করতে হবে। অন্যদিকে বিদ্যমান বিও হিসাবগুলো নবায়নের ক্ষেত্রেও বর্ধিত ফি কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, বর্তমানে ২৫ লাখের বেশি বিও হিসাব রয়েছে। ফি অতিরিক্ত ২০০ টাকা নির্ধারণ করায় সরকার বছরে প্রায় ৫০ কোটি টাকা রাজস্ব পাবে। বিও হিসাবের রক্ষণাবেক্ষণ ফি বাড়ানো হলেও তা থেকে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রাপ্য অংশ বাড়বে না। বর্ধিত ফি জমা দেওয়া হবে সরকারের কোষাগারে। বস্তুত এই খাত থেকে সরকারের কোষাগারে রাজস্ব বেশি করে জোগান দেওয়ার লক্ষ্যে বিও ফি বাড়ানো হয়েছে।
জানা গেছে, বর্তমানে ৩০০ টাকা বিও রক্ষণাবেক্ষণ ফি থেকে সেন্ট্রাল ডিপজিটরি বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড (সিডিবিএল) পায় ১৫০ টাকা, সংশ্লিষ্ট ডিপজিটরি পার্টিসিপেন্ট (ডিপি) পায় ১০০ টাকা এবং অবশিষ্ট ৫০ টাকা পায় এসইসি। আগামীতেও তারা এই হারেই অর্থ পাবে। বর্ধিত ২০০ টাকা জমা হবে সরকারের কোষাগারে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের গোড়ার দিকে শেয়ারবাজারে বিও হিসাবের জন্য করদাতা শনাক্তকরণ নম্বরের (টিআইএন) সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা এবং উৎসে আয়কর আরোপের বিষয় নিয়ে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। এ ধরনের কোনো উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার লক্ষ্যে বিও প্রতি বাড়তি ১০০ টাকা ফি নির্ধারণের বিকল্প প্রস্তাব করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। শেষ পর্যন্ত বাজেটে বিও হিসাবের জন্য টিআইএন সার্টিফিকেটের বাধ্যবাধকতা আরোপ এবং উৎসে আয়করের কোনো প্রস্তাব করা হয়নি। তবে এ খাতে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াতে বিও ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি।
Kindle Wireless Reading Device (6" Display, Global Wireless, Latest Generation)
উল্লেখ্য, বর্তমানে ২৫ লাখের বেশি বিও হিসাব রয়েছে। বিদ্যমান বিও হিসাব থেকেই সরকার বছরে প্রায় ৫০ কোটি টাকা রাজস্ব পাবে।

একটিভ ফাইন কেমিক্যালের আইপিও অনুমোদন এবং গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন করেছে এসইসি

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য একটিভ ফাইন কেমিক্যালস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। পাশাপাশি গ্রীন ডেল্টা ইন্সু্যরেন্সের ১৫০ কোটি টাকার মিউচু্যয়াল ফান্ডের প্রসপেক্টাস চূড়ানত্মভাবে অনুমোদন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় প্রসত্মাব দু'টি অনুমোদন করা হয়।
এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারম্নল কবীর ভুইয়া জনকণ্ঠকে জানান, একটিভ ফাইন কেমিক্যাল পুঁজিবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। জানা গেছে, একটিভ ফাইন কেমিক্যালের বর্তমান পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ২০ কোটি টাকা। তবে প্রি-আইপিও পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে ৪০ লাখ শেয়ার বিক্রির প্রক্রিয়া শেষ হলে পরিশোধিত মূলধন ৪ কোটি টাকা বেড়ে ২৪ কোটি টাকায় দাঁড়াবে। আর আইপিও প্রক্রিয়া শেষ হলে মূলধনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৪০ কোটি টাকায়। 

The Girl with the Dragon Tattoo 
পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির সম্প্রসারণে ব্যয় করা হবে। একটিভ কেমিক্যালের ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে জনতা ব্যাংক।
অন্যদিকে এসইসির চূড়ানত্ম অনুমোদন পাওয়া গ্রীন ডেল্টা ইন্সু্যরেন্স মিউচু্যয়াল ফান্ডের ১৫০ কোটি টাকার মধ্যে স্পন্সর প্রতিষ্ঠান গ্রীন ডেল্টা ইন্সু্যরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ১৫ কোটি টাকা দেবে। প্রাক-আইপিও পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে ৬০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। বাকি ৭৫ কোটি টাকা আইপিওর মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগৃহীত হবে ।

Sunday, June 20, 2010

 এসিআইয়ের ১০৫ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (এসিআই) লিমিটেড ২০০৯ সালের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে।
ঢাকার শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কোম্পানির ৩৭তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান এম আনিস উদ্ দৌলা।
সভায় এসিআই লিমিটেডের পরিচালক ওয়ালিউর রহমান ভুঁইয়া, গোলাম মহিউদ্দিন, নাজমা দৌলা, সুস্মিতা আনিস সালাম, ওয়ালিউর রহমান; ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ দৌলা এবং পরিচালক ও কোম্পানি সচিব সীমা আবেদ রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, তীব্র প্রতিযোগিতা ও উৎপাদনে বাধা সত্ত্বেও ২০০৯ সালে এসিআইয়ের হেলথ কেয়ার বা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে বিক্রি বেড়েছে ২৪ শতাংশ।

পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড আসছে

বাজারে আসছে আরও একটি মিউচুয়াল ফান্ড। ‘পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড’ নামের এই ফান্ডটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) এক সভায় গতকাল বৃহস্পতিবার এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে বৈঠকে ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলের রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে।
পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের আকার ২০০ কোটি টাকা, যা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ২০ কোটি ইউনিটে বিভক্ত। এই মিউচুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।
ফান্ডটিতে উদ্যোক্তার অংশ ১০ শতাংশ বা ২০ কোটি টাকা। ৮০ কোটি টাকা মূল্যের আট কোটি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে। ১০ কোটি ইউনিট বিক্রি করার মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বাকি ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।

৫ শতাংশ মানুষ ইনস্যুরেন্স সেবা পাচ্ছে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইন্স্যুরেন্স কম্পানিগুলো কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত দেশের মাত্র ৫ শতাংশ মানুষের কাছে এই ইন্স্যুরেন্স সেবা পেঁৗছানো সম্ভব হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে এ সেবা এখনো ভালোভাবে পেঁৗছায়নি। অথচ উন্নত দেশগুলোয় প্রায় প্রত্যেক ব্যক্তির নামেই ইন্স্যুরেন্স আছে। গতকাল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দে বায়রা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কম্পানির মহা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
কম্পানির চেয়ারম্যান আবুল বাশারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, কম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান সোবহান ভঁূইয়া ও কম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম ইলিয়াস হোসেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী ইন্স্যুরেন্স কর্মকর্তাদের বলেন, আমরা রাজনৈতিক কর্মী আর আপনারা অর্থনৈতিক কর্মী। তাই আমরা মিলেমিশে দেশের উন্নয়নে কাজ করি। মন্ত্রী বিরোধী দলের সমালোচনা করে বলেন, অতীতের সরকারগুলো শুধু কথা বলেছে, দেশের জন্য কোনো কাজ করেনি।
স্থানীয় সরকার ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আমাদের দেশের যেসব শ্রমিক বিভিন্ন দেশে রয়েছেন, তাঁরা অনেক সময় নানা ধরনের সমস্যায় পড়েন। তাঁদের সহায়তার জন্য ওই দেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোকে সঠিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
বায়রা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কম্পানির চেয়ারম্যান আবুল বাশার বলেন, সদস্যদের উন্নয়নে কাজ করছে আমাদের কম্পানি। আমাদের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা। আর লাইফ ফান্ড দাঁড়িয়েছে ৪০ কোটি টাকা। সম্মেলনে ২০০৯ সালে বায়রা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কম্পানির সর্বোচ্চ প্রিমিয়াম অর্জনকারী উন্নয়ন কর্মকর্তাদের মধ্যে পুরস্কারবিতরণ করা হয়।

Wednesday, June 16, 2010

১ আগস্ট ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আইপিও আবেদন শুরু

১ আগস্ট থেকে জনতা ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ১ থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আইপিওর জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এ আবেদন গ্রহণ করা হবে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত। গতকাল আইপিও আবেদন গ্রহণের অনুমোদন দেয় সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গত ৯ জুন ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন করে এসইসি।ফার্স্ট জনতা ব্যাংক নামে মিউচু্যয়াল ফান্ডের মোট আকার ২০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জনতা ব্যাংক ৫০ কোটি টাকা দেবে। এছাড়া প্রাইভেট পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে ৫০ কোটি টাকা এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে রেইস এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি।
 
Copyright 2009 BANGLADESH SHARE BAZAR. Powered by Blogger Blogger Templates create by Deluxe Templates. WP by Masterplan