কালের কণ্ঠ,
যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ব্যবসায়ী দলের নেতা
এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের
(এফবিসিসিআই) সভাপতি এ কে আজাদ প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে
বলেছেন, প্রবাসীরাই
বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে পরিচিত করে তুলেছেন। তাঁরা
বাংলাদেশের কৃষ্টি-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিশ্ববাসীর কাছে পেঁৗছে দিচ্ছেন।
বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়ে তাঁরা দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রেখেছেন। কিন্তু দেশ
প্রবাসীদের সেভাবে কিছুই দিতে পারেনি। তবে প্রবাসীদের ব্যাপারে বর্তমান
সরকার খুবই শ্রদ্ধাশীল। তাঁদের বিভিন্ন দাবি পূরণে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী
চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লাগোর্ডিয়া বিমানবন্দরসংলগ্ন হোটেল মেরিয়টের বলরুমে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং নন রেসিডেন্ট বাংলাদেশি-এনআরবি এলএলসির আয়োজনে 'বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বৃদ্ধি ও সম্ভাবনা' শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন এ কে আজাদ।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি শাকিল রিজভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান পরিচালক রকিবুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন জাহেদ মালেক এমপি, শাহরিয়ার আলম এমপি, এনআরবি নেতা জসিম উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
এফবিসিসিআই সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, প্রবাসীরা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে লাভবান হতে পারেন। এটি এখন সম্ভাবনাময় খাত হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, অনেকেই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করছেন। তবে শেয়ারবাজার সম্পর্কে অনেকেরই সম্যক ধারণা নেই। এ ব্যাপারে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। তিনি দেশে বিনিয়োগ করতে এফবিসিসিআইকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনেকে অভিযোগ করে থাকেন, দেশে বিনিয়োগে অনেক অন্তরায় আছে। এফবিসিসিআই এ ব্যাপারে সবাইকে সহায়তা করতে প্রস্তুত। এ কে আজাদ বলেন, বাংলাদেশ গার্মেন্ট খাত অনেক এগিয়ে গেছে। চীনের বাজার সঙ্কুচিত হয়ে এখন বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে। এ মুহূর্তে বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী প্রয়োজন। তিনি বলেন, দেশে বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত এফবিসিসিআই। এজন্য প্রয়োজনে বিমানবন্দর থেকে বিনিয়োগকারীদের সব রকম সহায়তা দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক রকিবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে এসেছে। আমাদের মার্কেট স্থায়ী রূপ নিয়েছে। ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনীতির মারাত্মক বিপর্যয় ঘটে, তখনো বাংলাদেশের পুঁজিবাজার সচল ছিল। বিগত ১০ বছরে কোনো নেগেটিভ গ্রোথ নেই। এ সবকিছুর অবদানের পেছনে রয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের পুঁজিবাজারে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রবাসীদের জন্য অনলাইনে শেয়ার বেচাকেনার সুযোগ করে দিচ্ছে। প্রবাসে বসেই তাঁরা শেয়ার লেনদেন করতে পারবেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লাগোর্ডিয়া বিমানবন্দরসংলগ্ন হোটেল মেরিয়টের বলরুমে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং নন রেসিডেন্ট বাংলাদেশি-এনআরবি এলএলসির আয়োজনে 'বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বৃদ্ধি ও সম্ভাবনা' শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন এ কে আজাদ।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি শাকিল রিজভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান পরিচালক রকিবুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন জাহেদ মালেক এমপি, শাহরিয়ার আলম এমপি, এনআরবি নেতা জসিম উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
এফবিসিসিআই সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, প্রবাসীরা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে লাভবান হতে পারেন। এটি এখন সম্ভাবনাময় খাত হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, অনেকেই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করছেন। তবে শেয়ারবাজার সম্পর্কে অনেকেরই সম্যক ধারণা নেই। এ ব্যাপারে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। তিনি দেশে বিনিয়োগ করতে এফবিসিসিআইকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনেকে অভিযোগ করে থাকেন, দেশে বিনিয়োগে অনেক অন্তরায় আছে। এফবিসিসিআই এ ব্যাপারে সবাইকে সহায়তা করতে প্রস্তুত। এ কে আজাদ বলেন, বাংলাদেশ গার্মেন্ট খাত অনেক এগিয়ে গেছে। চীনের বাজার সঙ্কুচিত হয়ে এখন বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে। এ মুহূর্তে বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী প্রয়োজন। তিনি বলেন, দেশে বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত এফবিসিসিআই। এজন্য প্রয়োজনে বিমানবন্দর থেকে বিনিয়োগকারীদের সব রকম সহায়তা দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক রকিবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে এসেছে। আমাদের মার্কেট স্থায়ী রূপ নিয়েছে। ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনীতির মারাত্মক বিপর্যয় ঘটে, তখনো বাংলাদেশের পুঁজিবাজার সচল ছিল। বিগত ১০ বছরে কোনো নেগেটিভ গ্রোথ নেই। এ সবকিছুর অবদানের পেছনে রয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের পুঁজিবাজারে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রবাসীদের জন্য অনলাইনে শেয়ার বেচাকেনার সুযোগ করে দিচ্ছে। প্রবাসে বসেই তাঁরা শেয়ার লেনদেন করতে পারবেন।

0 comments:
Post a Comment