অর্থনৈতিক রিপোর্টার,আমার দেশ
বেসরকারি খাতের প্রথম অ-মেয়াদি (ওপেন এন্ড) মিউচুয়াল ফান্ড প্রাইম
ফাইন্যান্স ফার্স্ট ইউনিট ফান্ডের চাঁদা গ্রহণ শুরু হচ্ছে আজ। রাজধানীর
হোটেল শেরাটনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চাঁদা গ্রহণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে।
বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে এ চাঁদা গ্রহণ করা
হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে এ ফান্ডটির আকার হচ্ছে ২০ কোটি টাকা এবং ফান্ডের প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা। ফলে ফান্ডটির ইউনিটের সংখ্যা হচ্ছে ২০ লাখ। এর মধ্যে উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান প্রাইম ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট ৩ কোটি টাকা দিয়ে ৩ লাখ ইউনিট ক্রয় করেছে। বাকি ১৭ লাখ ইউনিট বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে এসব ইউনিট বিক্রি করতে ১৬টি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসকে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এসব প্রতিনিধির মাধ্যমে আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে আগ্রহীদের কাছে ফান্ডের ইউনিট বিক্রয় করা হবে। তবে একজন আগ্রহীকে নূন্যতম ৫০টি ইউনিট ক্রয় করতে হবে। একজন গ্রাহক যে কটি ইউনিট ক্রয় করবে তার বিপরীতে একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করা হবে। ইউনিট ফান্ডটি শেয়ারবাজারে অন্যান্য মেয়াদি ফান্ডের মতো শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হবে না। ফলে শেয়ারবাজারে এটি লেনদেন হবে না। তবে একজন ইউনিট গ্রাহক প্রয়োজন বোধে তা বিক্রি করতে পারবেন। তবে এটি অন্য কোনো গ্রাহকের কাছে (ফরোয়ার্ড সেল) বিক্রি করা যাবে না। ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান কিংবা মনোনীত প্রতিনিধির কাছে বিক্রি করা যাবে। আবার কিনতে চাইলেও তাদের কাছ থেকেই কিনতে হবে। আর এক্ষেত্রে ফান্ডের ইউনিটের মূল্য হবে তার এনএভির (+/- ১৫ শতাংশ) বেশি হবে না। তবে শর্ত থাকে যে, এনএভি এবং বাজারমূল্যের পার্থক্য ৫ টাকার বেশি হতে পারবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওপেন এন্ড ইউনিট ফান্ড এসইসির বিধিমালা অনুসরণ করে শেয়ারবাজারে বিভিন্ন তালিকাভুক্ত কোম্পানি, আইপিও, বন্ড ও বিভিন্ন ফান্ডে বিনিয়োগ করতে পারবে। এসব বিনিয়োগের মাধ্যমে যে মুনাফা হবে বছর শেষে তার ন্যূনতম ৭০ শতাংশ ইউনিট হোল্ডারদের বিতরণ করতে হবে। প্রাথমিকভাবে ফান্ডটির আকার ২০ কোটি টাকা হলেও ভবিষ্যতে এসইসির অনুমোদন সাপেক্ষে তা যে কোনো আকারের হতে পারে।
ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান প্রাইম ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মঈন আল কাশেম বলেন, যারা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে ঝুঁকি নিতে চান না ইউনিট ফান্ডে বিনিয়োগের জন্য তাদের একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে আমরাই প্রথম বেসরকারি খাতে ওপেন এন্ড ইউনিট ফান্ড বাজারে নিয়ে এসেছি। সেজন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বাইরে সাধারণ বিনিয়োগকারী, প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে তা পরিচিত করতে আনুষ্ঠানিক আয়োজন করা হয়েছে। আমরা চাই এ ধরনের ফান্ডের ব্যাপারে সাধারণ মানুষ আগ্রহী হয়ে উঠুক। তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের আরো ফান্ড আসার সুযোগ তৈরি হবে। এখানে উল্লেখ্য, দেশে প্রথম ওপেন এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড বাজারে নিয়ে আসে আইসিবি।
জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে এ ফান্ডটির আকার হচ্ছে ২০ কোটি টাকা এবং ফান্ডের প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা। ফলে ফান্ডটির ইউনিটের সংখ্যা হচ্ছে ২০ লাখ। এর মধ্যে উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান প্রাইম ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট ৩ কোটি টাকা দিয়ে ৩ লাখ ইউনিট ক্রয় করেছে। বাকি ১৭ লাখ ইউনিট বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে এসব ইউনিট বিক্রি করতে ১৬টি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসকে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এসব প্রতিনিধির মাধ্যমে আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে আগ্রহীদের কাছে ফান্ডের ইউনিট বিক্রয় করা হবে। তবে একজন আগ্রহীকে নূন্যতম ৫০টি ইউনিট ক্রয় করতে হবে। একজন গ্রাহক যে কটি ইউনিট ক্রয় করবে তার বিপরীতে একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করা হবে। ইউনিট ফান্ডটি শেয়ারবাজারে অন্যান্য মেয়াদি ফান্ডের মতো শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হবে না। ফলে শেয়ারবাজারে এটি লেনদেন হবে না। তবে একজন ইউনিট গ্রাহক প্রয়োজন বোধে তা বিক্রি করতে পারবেন। তবে এটি অন্য কোনো গ্রাহকের কাছে (ফরোয়ার্ড সেল) বিক্রি করা যাবে না। ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান কিংবা মনোনীত প্রতিনিধির কাছে বিক্রি করা যাবে। আবার কিনতে চাইলেও তাদের কাছ থেকেই কিনতে হবে। আর এক্ষেত্রে ফান্ডের ইউনিটের মূল্য হবে তার এনএভির (+/- ১৫ শতাংশ) বেশি হবে না। তবে শর্ত থাকে যে, এনএভি এবং বাজারমূল্যের পার্থক্য ৫ টাকার বেশি হতে পারবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওপেন এন্ড ইউনিট ফান্ড এসইসির বিধিমালা অনুসরণ করে শেয়ারবাজারে বিভিন্ন তালিকাভুক্ত কোম্পানি, আইপিও, বন্ড ও বিভিন্ন ফান্ডে বিনিয়োগ করতে পারবে। এসব বিনিয়োগের মাধ্যমে যে মুনাফা হবে বছর শেষে তার ন্যূনতম ৭০ শতাংশ ইউনিট হোল্ডারদের বিতরণ করতে হবে। প্রাথমিকভাবে ফান্ডটির আকার ২০ কোটি টাকা হলেও ভবিষ্যতে এসইসির অনুমোদন সাপেক্ষে তা যে কোনো আকারের হতে পারে।
ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান প্রাইম ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মঈন আল কাশেম বলেন, যারা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে ঝুঁকি নিতে চান না ইউনিট ফান্ডে বিনিয়োগের জন্য তাদের একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে আমরাই প্রথম বেসরকারি খাতে ওপেন এন্ড ইউনিট ফান্ড বাজারে নিয়ে এসেছি। সেজন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বাইরে সাধারণ বিনিয়োগকারী, প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে তা পরিচিত করতে আনুষ্ঠানিক আয়োজন করা হয়েছে। আমরা চাই এ ধরনের ফান্ডের ব্যাপারে সাধারণ মানুষ আগ্রহী হয়ে উঠুক। তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের আরো ফান্ড আসার সুযোগ তৈরি হবে। এখানে উল্লেখ্য, দেশে প্রথম ওপেন এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড বাজারে নিয়ে আসে আইসিবি।

0 comments:
Post a Comment