বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত থাকায় নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে
শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে
সরকারী মালিকানাধীন বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)।
সম্প্রতি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ বিষয়ে
প্রয়োজনীয় পরামর্শ চেয়ে কোম্পানির পৰ থেকে গত সপ্তাহে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড
এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) চিঠি দেয়া হয়েছে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের জন্য গত ১৩ জানুয়ারি রোড শো' আয়োজন করে সাব মেরিন কেবল কোম্পানি। ওই অনুষ্ঠানে কোম্পানির পৰ থেকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৮০ টাকা প্রিমিয়ামসহ সম্ভাব্য নির্দেশক মূল্য ৯০ টাকা প্রসত্মাব করা হয়। কিন্তু এরপর বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত হয়ে যাওয়ায় মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।
জানা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির পরিবর্তে নির্ধারিত মূল্যে শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে ইতোমধ্যেই সাব মেরিন কেবল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে সিদ্ধানত্ম গৃহীত হয়েছে। গত ১২ জুলাই অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদ সভায় নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে মোট ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধানত্ম হয়। পুঁজিবাজারে শেয়ার ছেড়ে ৩১ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রিমিয়ামের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ করা হবে।
সূত্র জানায়, শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের জন্য কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধানত্ম নিয়েছে সাব মেরিন কেবল কোম্পানি। এজন্য সরকারী কোম্পানিগুলোর সম্পদ পুনর্মূল্যায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেয়া নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। তবে নীতিমালা অনুসরণের সিদ্ধানত্ম নিলেও কোন কোন নিরীৰা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারী প্রতিষ্ঠানের সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করা হবে_ সে বিষয়ে কোন নির্দেশনা দেয়া হয়নি। এ বিষয়ে এসইসির পরামর্শ চেয়েছে সাব মেরিন কেবল কোম্পানি।
রাষ্ট্রায়ত্ত এই কোম্পানির বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটি আরও ৩১ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। ফলে তালিকাভুক্তির পর কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন দাঁড়াবে ৯৭ কোটি টাকা। ২০১০ সালের বার্ষিক হিসাবে কোম্পাানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৬ টাকা ৩৫ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৫ টাকা ৬০ পয়সা।
বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ এ্যান্ড টেলিফোন বোর্ডের (বিটিটিবি) সাবমেরিন কেবল প্রকল্পের মাধ্যমে ২০০৮ সালের জুলাই মাসে বিএসসিসিএল পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। কোম্পানিটি ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ১১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করে ১০ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দিয়েছে। বিএসসিসিএল বর্তমান ব্যান্ডউইথ ৰমতা হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে ৪৪.৬০ গিগাবাইট (জিবিপিএস)। বর্তমানে কোম্পানিটি কার্যৰমতার মাত্র ২৫ শতাংশ ব্যবহার করতে পারছে। দেশে তথ্য-প্রযুক্তি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানির কার্যৰমতার ব্যবহার বাড়বে। এতে কোম্পানির আয়ও বৃদ্ধি পাবে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের জন্য গত ১৩ জানুয়ারি রোড শো' আয়োজন করে সাব মেরিন কেবল কোম্পানি। ওই অনুষ্ঠানে কোম্পানির পৰ থেকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৮০ টাকা প্রিমিয়ামসহ সম্ভাব্য নির্দেশক মূল্য ৯০ টাকা প্রসত্মাব করা হয়। কিন্তু এরপর বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত হয়ে যাওয়ায় মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।
জানা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির পরিবর্তে নির্ধারিত মূল্যে শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে ইতোমধ্যেই সাব মেরিন কেবল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে সিদ্ধানত্ম গৃহীত হয়েছে। গত ১২ জুলাই অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদ সভায় নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে মোট ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধানত্ম হয়। পুঁজিবাজারে শেয়ার ছেড়ে ৩১ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রিমিয়ামের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ করা হবে।
সূত্র জানায়, শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের জন্য কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধানত্ম নিয়েছে সাব মেরিন কেবল কোম্পানি। এজন্য সরকারী কোম্পানিগুলোর সম্পদ পুনর্মূল্যায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেয়া নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। তবে নীতিমালা অনুসরণের সিদ্ধানত্ম নিলেও কোন কোন নিরীৰা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারী প্রতিষ্ঠানের সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করা হবে_ সে বিষয়ে কোন নির্দেশনা দেয়া হয়নি। এ বিষয়ে এসইসির পরামর্শ চেয়েছে সাব মেরিন কেবল কোম্পানি।
রাষ্ট্রায়ত্ত এই কোম্পানির বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটি আরও ৩১ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। ফলে তালিকাভুক্তির পর কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন দাঁড়াবে ৯৭ কোটি টাকা। ২০১০ সালের বার্ষিক হিসাবে কোম্পাানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৬ টাকা ৩৫ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৫ টাকা ৬০ পয়সা।
বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ এ্যান্ড টেলিফোন বোর্ডের (বিটিটিবি) সাবমেরিন কেবল প্রকল্পের মাধ্যমে ২০০৮ সালের জুলাই মাসে বিএসসিসিএল পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। কোম্পানিটি ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ১১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করে ১০ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দিয়েছে। বিএসসিসিএল বর্তমান ব্যান্ডউইথ ৰমতা হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে ৪৪.৬০ গিগাবাইট (জিবিপিএস)। বর্তমানে কোম্পানিটি কার্যৰমতার মাত্র ২৫ শতাংশ ব্যবহার করতে পারছে। দেশে তথ্য-প্রযুক্তি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানির কার্যৰমতার ব্যবহার বাড়বে। এতে কোম্পানির আয়ও বৃদ্ধি পাবে।
তথ্যসূত্রঃ দৈনিক জনকণ্ঠ

0 comments:
Post a Comment